পারিবারিক আইন, ডিভোর্স ও অন্যান্য

পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দুটো ভিন্ন চরিত্রের একসাথে জীবন পার করে দেওয়া সহজ না। মানিয়ে চলাই তাদের প্রিলিমিনারি সামাজিক শিক্ষা। মানিয়ে নিতে না পারলেও একে অপরকে ছেড়ে যাওয়া মুখের কথা নয়। আবার কিছু আইনী প্রক্রিয়াও রয়ে যায়। বদলে যাওয়া সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজন হ্য় সামাজিক ও আইনি সাহায্য। এসবের ঠিকুজি জানতেই ড.শাহনাজ হুদার মুখোমুখি লুক।

লুক: বাংলাদেশের মুসলিম আইনে তালাক দেয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর অধিকার কতটুকু?

শাহনাজ হুদা: আমাদের দেশের মুসলিম আইন অনুযায়ী, তালাক দেয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর অধিকার স্ত্রীদের চেয়ে বেশি।কিন্তু এটা বলা যাবে না যে, তালাক দেওয়া কেবল স্বামীর অ্যাবসল্যুট রাইট। তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে কিছু আই্নগত প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। নোটিশ প্রদান, সালিশ-বোর্ডের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা, নোটিশ দেওয়ার পর ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া আমাদের আইনে স্বামীর তালাক দেওয়ার অধিকারকে নিকাহনামার ১৯ নং অনুচ্ছেদের মাধ্যমে খর্ব করা সম্ভব। ১৯ নং অনুচ্ছেদের যথাযথ প্রয়োগের জন্য নিকাহ রেজিষ্ট্রারদের কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা দরকার। দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদটিকে অবহেলা করে রেজিষ্ট্রাররা শুধ না শব্দটি লিখেই চলে যায়।

লুক: এই একই আইনে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রীর অধিকার কতটুকু?

শাহনাজ হুদা: এ দেশে মুসলিম আইনে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর অধিকার অনেকখানি খর্ব করা হয়েছে। স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে, দীর্ঘদিন স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে, স্বামী নপুংসক হলে ইত্যাদি কারণে স্ত্রী স্বামীকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিতে পারে। এছাড়া নিকাহনামায় যদি স্ত্রীকে তালাকে তাওফিজের অধিকার দেওয়া হয়, তাহলে স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিতে পারবে।

লুক: তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রীর কী কী অধিকার রয়েছে?

শাহনাজ হুদা: স্বামী স্ত্রীকে তিন মাসের ভরণপোষণ ও মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। ভরণপোষণের ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

লুক: তিন মাসের ভরণপোষণ কি স্ত্রীর জন্য যথেষ্ট বলে আপনি মনে করেন?

শাহনাজ হুদা: এটা কোনভাবেই স্ত্রীর জন্য যথেষ্ট না। কিছু মুসলিম দেশে এই বিধান পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন মিশরে, স্বামী যদি স্ত্রীকে কোন উপযুক্ত কারণ না দেখিয়ে তালাক দেয়, তাহলে একবছরের ভরণপোষণ দিতে হয়। আবার কিছু দেশে স্ত্রীর পুনর্বিবাহ কিংবা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দিতে হয়।

লুক: বর্তমান সময়ে নারীর সমান অধিকারের কথা বলা হয়। সমান অধিকারের কথা বিবেচনা করলে স্ত্রীর ভরণপোষণের যৌক্তিকতা কতটুকু?

শাহনাজ হুদা: এক্ষেত্রে সমান অধিকারের কথা বললে আরো অনেক আইন পরিবর্তন করতে হবে। বিশেষ করে সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকার দিতে হবে। কারণ, পিতা-মাতার মৃত্যুর পর মেয়েরা ছেলের অর্ধেক সম্পত্তি পায়। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির যে পরিমাণ পায়, স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বামী তার দ্বিগুণ পায়। এগুলো পরিবর্তন করার সাথে সাথে নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। আমরা যদি এই পরিবর্তনগুলো করতে পারি, তাহলেই স্ত্রীর স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ কেন পাবে, এই প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারি। অন্যথায় নয়।

লুক: বিভিন্ন দেশ যেমন মিশরে কোর্টের অনুমতি ছাড়া স্ত্রীকে তালাক দেয়া সম্ভব না। বাংলাদেশে এরকম আইনের দ্বারা তালাকের অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব? হলে কতটুকু?

শাহনাজ হুদা: কোর্টের অনুমতি নিয়ে তালাক দিতে হলে এর অপব্যবহার অনেকখানি রোধ করা সম্ভব।কিন্তু এক্ষেত্রে দেশের মানুষকে শিক্ষিত ও সচেতন হতে হবে। যেটা এ মুহুর্তে বাংলাদেশে কষ্টসাধ্য ব্যাপার। প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে আমাদের অধিকাংশ লোকজন কোর্টে যাবে না।এবং তালাক না দিয়েই স্ত্রীকে রেখে চলে যাবে। এতে স্ত্রী ভরণপোষণও পাবে না আবার পুনরায় বিয়ে করার বৈধতাও পাবে না। আরেকটি বড়ো কারণ হলো, বাংলাদেশের বেশিরভাগ কোর্টের অ্যাকসেস টু জাস্টিস কতোটুকু, তা নিয়েই প্রশ্ন আছে।

লুক: বাংলাদেশে কিছুদিন থেকে গ্রামের তুলনায় শহরে স্ত্রী কর্তৃক তালাকের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর কারণ কী বলে আপনি মনে করেন?

শাহনজ হুদা: অতীতে গ্রামে তালাকের পরিমাণ বেশি ছিলো। বর্তমানের গ্রামের তুলনায় শহর এলাকার স্ত্রীরা বেশি তালাক দিচ্ছে।তালাকের ইতিবাচক দিক হলো, স্বামীর সংসারে অপমান অবহেলা সহ্য করার চেয়ে পৃথক হয়ে যাওয়াই নারীর জন্য ভালো। নারীদের মাঝে সামাজিক সচেতনতা ও আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির কারণে পৃথক থাকতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করছে। যা পরে তালাকে রূপ নিচ্ছে।

লুক: বিদ্যমান মুসলিম আইন পুরোপুরি কার্যকর করে তালাকের ক্ষেত্রে নারীর অধিকার রক্ষা করা কতটুকু সম্ভব?

শাহনাজ হুদা: আমি মনে করি, পুরোপুরি না হলেও বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নারীর অধিকাংশ অধিকারই সংরক্ষণ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে তালাকের পদ্ধতি, যেমন সালিশি-বোর্ড গঠন, বোর্ডের কাছে উপযুক্ত কারণ দর্শানো, নোটিশ দেওয়া, ৯০ দিন অপেক্ষা করা- এগুলোর নিশ্চয়তা প্রদানের সাথে সাথে যারা এগুলো ভঙ্গ করবে তাদের বিচারের আওতায় আনলে অহেতুক তালাকের পরিমান অনেকখানি হ্রাস পাবে।

আমাদের বিদ্যমান আইন কার্যকর করার সাথে সাথে আমরা যদি সোশ্যাল প্র্যাকটিস চেঞ্জ করতে পারি তাহলে তালাকের ক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ের অধিকাংশ অধিকার সংরক্ষণ সম্ভব।

লুক: বাংলাদেশে অভিন্ন পারিবারিক আইন চালুর ক্ষেত্রে আপনার অভিমত কি?

শাহনাজ হুদা: ব্যক্তিগতভাবে আমি বাংলাদেশে অভিন্ন আইন চালুর পক্ষপাতী। কিন্তু, বাস্তবিক অর্থে এ মুহুর্তে এটা চালু করা অনেকখানি অসম্ভব। এটা চালু করতে গেলে মুসলিম-হিন্দু-খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের অধিকাংশ পারিবারিক আইন পরিবর্তিত হয়ে যাবে। যা দেশের ধর্মীয় জনগোষ্ঠি সহজে মেনে নেবে না। অভিন্ন পারিবারিক আইন চালু করতে গেলে আমাদের শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।

লুক: বাংলাদেশের হিন্দু আইনে তালাকের ব্যাপারে আপনার কী অভিমত?

শাহনাজ হুদা: বাংলাদেশের হিন্দু আইনে শুধু ১৯৪৬ সালের নারীর পৃথক বসবাসের অধিকার আইন দ্বারা বিবাহবিচ্ছেদ সম্ভব। যদিও ভারতে ১৯৫৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য পৃথক আইন করা হয়, যার মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ সম্ভব। বাংলাদেশের হিন্দু আইন সংস্কারের জন্য অনেকবার সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু, ধর্মীয় নেতাদের আপত্তির কারণে তা আজও  কার্যকর করা সম্ভব হয় নি। তবে, বর্তমানে হিন্দু স্বামী-স্ত্রীরা এফিডেভিটের মাধ্যমে নিজেরা তালাক নিচ্ছে। এক্ষেত্রে কোন আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

লুক: তালাক পরবর্তী সময়ে সন্তানের কাস্টডি কেমন হওয়া উচিত?

শাহনাজ হুদা: বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে পিতাই সন্তানের গার্ডিয়ান। কিন্তু, ছেলেসন্তানের বয়স সাত বছর এবং মেয়ে সন্তানের পিউবার্টির পূর্ব পর্যন্ত কাস্টডিয়ান হবে মা। কিন্তু, এ ক্ষেত্রে কোর্টের অনেক ডিসক্রিয়েশনাল পাওয়ার আছে। কোর্ট সন্তানদের কাস্টডি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেষ্ট ইন্টারেষ্ট অব দ্যা চাইল্ড বিবেচনা করবে। আর সন্তান যদি মতামত দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে কোর্ট তার মতামত বিবেচনা করবে। এক্ষেত্রে আমি বলতে চাই, পারিবারিক আইনের সব ব্যাপারে কোর্ট যদি কাস্টডি নির্ধারণের মতো বেষ্ট ইন্টারেষ্ট বিধি বিবেচনা করে তাহলে সব ব্যাপারই সহজভাবে সমাধান সম্ভব।

তালাকের মতো স্পর্শকাতর এমনভাবে আইন প্রনয়ন করতে হবে, যাতে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের স্বার্থ রক্ষা হয়। কেউ যেন কাউকে হয়রানি করতে না পারে। একটা বিষয় আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, অনেক সাধ করে দুজন মানুষ ঘর বাঁধে। এটা ভেঙে যাওয়া কম কষ্টের না। তাই এমন কোন রিএ্যাকটিভ বা উস্কানিমূলক কিছুকরা উচিত হবে না যাতে অহেতুক তালাক বৃদ্ধি পায়।

লুক: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

শাহনাজ হুদা: ধন্যবাদ লুক।

# লুকের পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন নোমান হোসাইন ও আলাল আহমেদ

প্রথম সাক্ষাতেই মেয়েদের যে বিষয় গুলো লক্ষ্য করে ছেলেরা!

হঠাৎ পরিচয় হলো একজন পুরুষের সাথে।  বেশ কিছুক্ষন কথাবার্তাও হলো। বেশ আন্তরিক মানুষ বলেই মনে হলো তাকে প্রথম পরিচয়ে। মনে মনে মানুষটি সম্পর্কে অনেক কিছু ভেবে নিলেন আপনি। আচ্ছা, আপনারও কি জানতে ইচ্ছে করছে সেই মানুষটি আপনার মাঝে কী দেখলো? এমন কৌতুহল হতেই পারে আর সবসময় হয়, তাই না?

পুরুষরা নারীর মাঝে প্রথম দেখায় কী কী বিষয় লক্ষ্য করে তা নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক আছে। তবে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগ পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি সাধারণত একই রকম হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক পুরুষরা প্রথম দেখায় নারীর মাঝে লক্ষ্য করেন এমন ৭টি বিষয় সম্পর্কে।

দৈহিক সৌন্দর্য:

নারীর সাথে প্রথম দর্শনে পুরুষরা চেহারার বদলে নারীর দৈহিক সৌন্দর্য ও গঠন লক্ষ্য করে সবার আগে। সুন্দর ফিগারের অধিকারিণীদের প্রতি পুরুষদের আকর্ষণ থাকে বরাবরই বেশি। এক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টি প্রথমেই যায় নারীর স্তন জোড়ার দিকে। এছাড়াও তারা কোমর, নিতম্ব ও পা দেখে থাকে তারা। বিভিন্ন গবেষনার জরিপে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে যে নারীর সাথে প্রথম দেখায় পুরুষরা তাদের স্তন, কোমর ও পা খেয়াল করে সবার আগে। সুন্দর ও অপেক্ষাকৃত লম্বা পায়ের অধিকারিণীদের প্রতি পুরুষদের আকর্ষন বেশি থাকে সবসময়। যদিও এই বিষয়টি অনেক পুরুষই স্বীকার করতে চায় না কারণ মনের অজান্তেই তারা কাজটি করে।

চোখ,হাসি ও চুল:

সুন্দর টানা টানা চোখ সব পুরুষই পছন্দ করে। আর তাই নারীর সাথে প্রথম দর্শনে কথা বলার সময় পুরুষরা শরীরের পরেই চোখের দিকে লক্ষ্য করে। চোখ সুন্দর হলে অপলক সেই চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে কথা বলে তারা। এছাড়া চোখের চাহনিও খেয়াল করে সর্বক্ষণ। হাসির সৌন্দর্যটাও বেশ মনোযোগ দিয়েই দেখে পুরুষেরা। নারীর চুলের প্রতিও পুরুষদের আগ্রহ অপরিসীম। আর তাই একজন নারীর সাথে প্রথম পরিচয়ে তারা সেই নারীর চুল ও চুলের স্টাইল লক্ষ্য করে। সুন্দর চুল ও হেয়ার কাটের নারীদের প্রতি তারা বেশি আকর্ষনবোধ করে।

উচ্ছলতা:

হাসিখুশি নারীদের প্রতি পুরুষদের আকর্ষন চিরন্তন। আর এই চিরন্তন আকর্ষনের কারণে প্রথম দর্শনেই পুরুষরা নারীদের হাসি খেয়াল করে। একজন নারীর সাথে প্রথম পরিচয়ে তারা সেই নারীর হাসি কেমন, সে কী মন খুলে হাসে কিনা কিংবা মেয়েটি হাসিখুশি নাকি গম্ভীর ইত্যাদি বিষয়গুলো লক্ষ্য করে।

বুদ্ধিমত্তা:

প্রথম দর্শনেই কথা বলার সময় নারীর বুদ্ধিমতার বিষয়টি বেশ মনোযোগ সহকারেই খেয়াল করে পুরুষরা। কথা বার্তা বলার সময় উপস্থিত বুদ্ধিও নজর কাড়ে তাদের। উপস্থিত বুদ্ধি সম্পন্ন নারীদেরকে পুরুষরা বেশ পছন্দ করে এবং তাদের প্রতি তীব্র আকর্ষন বোধ করে।

কন্ঠস্বর ও কথা বলার ভঙ্গি:

একজন নারীর সাথে প্রথম পরিচয়ের সময় পুরুষরা নারীর কন্ঠস্বর ও কথা বলার ভঙ্গি খেয়াল করে। সুন্দর মিষ্টি কন্ঠ ও স্পষ্ট সুন্দর উচ্চারনের নারীরা পুরুষদের মনোযোগ আকর্ষন করে ও ভালো লাগার অনুভূতি তৈরী করে।

রসবোধ:

বলা হয়ে থাকে যে নারীরা পুরুষের মাঝে রসবোধের উপস্থিতি পছন্দ করে। এক্ষেত্রে পুরুষরাও কিন্তু পিছিয়ে নেই। পুরুষরাও নারীদের মাঝে রসবোধের উপস্থিতি খুবই পছন্দ করে। প্রথম বার কথা বলার সময়েই তারা এই বিষয়টি নারীদের মাঝে খোঁজে এবং বেশ আগ্রহ সহকারে লক্ষ্য করে। তাদের রসিকতাকে নারীরা কিভাবে গ্রহণ করছে সেই বিষয়টিও তারা লক্ষ্য করে।

পোশাক:

প্রথম সাক্ষাতে নারীর পোশাকের দিকে খেয়াল করে কম বেশি সব পুরুষ। কেমন পোশাক পড়েছে, কি রঙ, রুচিশীল নাকি বেমানান ইত্যাদি বিষয়গুলো খেলা করে পুরুষরা নারীর সাথে প্রথম দেখায়। এমনকি পোষাকের সাথে ব্যাগ ও জুতা ম্যাচিং করে পড়েছে কিনা সেটাও তাদের চোখ এড়ায় না।

সুত্রঃ দেশে বিদেশে