বিয়ের পর সুখী সংসার জীবন গড়তে কে না চায়! তবে যে কোন কারনেই হোক প্রথম সংসারের ইতি ঘটে অনেকের জীবনে। সময় ও জীবন থেমে থাকেনা তবে খারাপ সময় অব্যাহত থাকে অনেকদিন, এর মধ্যে দিয়েই মানুষকে আবার বাঁচতে হয় নতুন করে। কেউ হয়তো নতুন ভাবনায় সঙ্গীহীন জীবনযাপন করেন আবার কেউ কেউ নতুন জীবনসঙ্গীর নিয়ে দাম্পত্যে জীবন শুরু করেন।
সম্প্রতি ‘হাফিংটন পোস্টে’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয় –
দ্বিতীয় বিয়েতে নাকি সুখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
যে সকল কারনে দ্বিতীয় বিয়েতে সুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেঃ
স্বাভাবিকভাবে মানুষ পুরনো ভুল পুনরায় করেনা। তাই দ্বিতীয় বিয়েতে ব্যক্তিদের মধ্যে সংশোধন বিষয়টি তৈরি থাকে। যার ফলে দাম্পত্যে সম্পর্ক ভালো থাকে।
মানুষ সঙ্গ প্রিয় তবুও একই ছাদের নিচে নিত্য কলহ দাম্পত্যে সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটায়। দীর্ঘ সময় মানুষ যখন নিঃসঙ্গ জীবন কাটায় তখন দ্বিতীয় সম্পর্কে কলহ বিষয়টি আসলেও তারা এড়িয়ে চলেন ফলে দাম্পত্যে সম্পর্কে শান্তি বিরাজ করে।
দীর্ঘকালীন সময়ের পুরনো অভিজ্ঞতার ফলে দ্বিতীয় বিয়েতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমঝোতার বিষয়টি বেশ স্পষ্ট থাকে যার ফলে দ্বিতীয় দাম্পত্য জীবন সুখী হয়।
প্রথম দুর্ঘটনার স্বীকার হওয়ার পর দ্বিতীয় বার জীবনসঙ্গী বাছাইয়ে ব্যক্তিদের মধ্যে আবেগ বিষয়টি নিয়ন্ত্রনে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগণ যথেষ্ট সচেতন ও যাচাই করে জীবনসঙ্গী বেঁছে নেন। আর তাই তাদের মধ্যে আত্মীক সম্পর্ক শুরু থেকেই লক্ষ্য করা যায়।
অতীতে আস্থাহীনতায় সম্পর্ক কাটানো অভিজ্ঞতার ফলে দ্বিতীয় সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি আনুগত্য থাকে তাই দাম্পত্য সম্পর্ক স্বাস্থ্যকর হয়।
বিয়ে প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা কেউ অস্বীকার করতে পারবেনা। সমাজ, বিয়ে ও সংসার এ সকল বিষয় নিয়েই সভ্যতা টিকে আছে। বিয়ের পর অনেকের জীবনে ঝড়ঝাপটা আসে অতঃপর ডিভোর্স হয়। তাই বলে ব্যক্তির উচিত নিজের জীবনকে অবহেলা না করে সময় নিয়ে যাচাই করে জীবনসঙ্গী খুঁজে নতুন করে বেঁচে থাকা।
প্রবাদে আছে –
বিয়ে হচ্ছে বুদ্ধিমত্তার বিরুদ্ধে কল্পনার জয়। আর দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে অভিজ্ঞতার বিপক্ষে আশাবাদের জয়।

সবার জীবনেই একটা ভবিষ্যত পরিকল্পনা থাকে।খুব হাস্যকর মনে হলেও একসময় আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা ছিল একজন আদর্শ গৃহিণী হব।যদিও বিয়ের পরপরই বুঝতে পেরেছিলাম সেটা আদোতে কত কঠিন।শ্বশুর বাড়িতে প্রথম প্রথম অনেকেই আস্ত নতুন বউ দেখতে।ভেবেছিলাম মানুষগুলো আমাকে দেখতে এসেছে।তাই যথাসম্ভব তাদের সাথে হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করেছি।যদিও দুদিন না যেতেই আমার সে ভুল ভেংগে গেল তাদের কথাবার্তা শুনে। বউ কি শুধু হাসতেই জান?মা কাজকাম কিছু শেখাইনি?দেখি তো মা তোমার বাপে কি কি দিছে? ওমা শুনলাম বড়লোকের বেটি।এখন তো দেখি সবই শোনা কথা।আপা আপনার কপাল বড়ই খারাপ।সেদিন জামালের বউ দেখতে গেলাম আহা তার শ্বশুরে ঘরডা সাজায়ে দিছে।সবই কপাল। পাড়া প্রতিবেশির আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারি হয়ে যায়।তার ছিটেফোঁটা আমার শ্বশুর বাড়িতে ও পড়ে।তাদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে।