কেন পরকীয়ায় এত জটিলতা ?

পরকীয়া কি সত্যিই রোমান্টিক !  বিবাহিত পুরুষ এবং নারী কখনও কারো সাক্ষাতে হঠাৎ প্রেমে পড়ে যান , বিষয়টি অত্যন্ত গোপনে লালন করতে থাকেন । অনেকে এই সম্পর্কের উপসংহারে আসতে পারেন আবার অনেকেই পারেন না । যারা পারেন সেই নারী কিংবা পুরুষরা যখন দেখেন তার ভালবাসা সত্যিই জীবনকে অর্থবহ করেছে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন । কিন্তু তারা নিজের অজান্তেই এক ধরনের জটিলতাকে জীবনসঙ্গী করে নেন ।

বিবাহ একটি অত্যন্ত জটিল প্রকাশ্য চুক্তি । আর এই বিয়ের ঘটনা যখন দুইজন বিবাহিত নারী-পরুষের মধ্যে সংঘটিত হয় , তখন সেই জটিলতা হয় অকল্পনীয় । বিবাহিত জীবনে অন্য  কোন নারী কিংবা পুরুষের প্রেমে পড়ার অনেক কারণ রয়েছে ।  কিছু মানুষ আছে যাদের বিবাহিত জীবন মানসিক কিংবা শারীরিকভাবে সুখি নয় , তাই অন্য কোথাও সুখ খোঁজার চেষ্টা করে । কেউ কেউ বিবাহিত জীবনের বাহিরে সম্পর্ক তৈরী করাকে একটা ফ্যাশান হিসেবে নেয় , যাদের ক্ষেত্রে জটীলতা কম হয় । আবার কেউ কেউ প্রাকৃতিকভাবেই নিজের অজান্তে বিপরীত লিঙ্গের প্রেমে পড়ে যান । তবে যে কারনেই  হোক নতুন সম্পর্কের পরিণতি আসলে ,পুরানো সম্পর্ক কোন না কোনভাবেই বয়ে বেড়াতে হয় । বিশেষজ্ঞদের মতে পরকীয়া সবসময় মধুর, যা একঘেয়ে বিবাহিত জীবনকে প্রাণ দেয় , কিন্তু যখন ঐ সম্পর্ককে বিয়ে পর্যন্ত গড়ানো হয় , তখন শুরু হয় জটীলতা , বাস্তবতা ঐ মধুর জীবনকে অম্ল করে তোলে দ্রুত ।

পরকীয়া সম্পর্কের পর বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই নিরাপত্তাহীনতা ও আস্থাহীনতায় ভোগে । কেননা উভয় মনে করে যেকোন সময় জীবনসঙ্গী আবারো অন্য কারো প্রেমে পড়তে পারে । একজন নারী কিংবা পুরুষ মনে করে কেউ যদি দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ইতি টেনে সন্তানদের উপেক্ষা করে ঘর ছাড়তে পারে, সে একদিন হয়ত আমার সাথেও প্রতারণা করতে পারে । এই চেতনা কখনই মরেনা এবং একসময় চাপ এমন হয় যে তা হ্যান্ডেল করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে ।

পরকীয়ার বিয়েতে একটা বিষয় জন্ম নেই , যা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয় , তা হলো  নারী কিংবা পুরুষ সবসময় নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা করে তারা কোন ভুল করেনি কিন্তু নিজের ঘরভাঙার বেদনা তাদেরকে সবসময় অনুতপ্ত করে । আমাদের উপমহাদেশে পরিবারপ্রথা এখনও যথেষ্ট শক্ত । যেকারণে পরকীয়া এবং বিয়ে দুটোই পরিবার , বন্ধু ও সমাজে ঘৃন্য হিসেবে গৃহিত হয় । যেকারনে একাকী উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয় , এই নিয়ে দুজনের ভুল বোঝাবুঝির অন্ত থাকেনা । আগের ঘরে সন্তান থাকলে সেই মা কিংবা পিতা ঐ সন্তানদের নিয়ে এক বিরাট জটিলতায় পড়েন , যা একসময় ছেলে-মেয়ের জীবন নষ্ট হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়াই । কাজেই পরকীয়া করলে এই সকল জটীলতা মোকাবেলা করার  প্রস্তুতি নিন ।

– সংগ্রহিত

বিবাহ ও মুসলিম পারিবারিক আইন

মানব ইতিহাস লক্ষ করলে দেখা যায়, প্রাচীন সমাজে নারীদের মান-মর্যাদার প্রতি কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সমাজে তখন নারীর অধিকার ও মর্যাদা ছিল না। ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী বিবাহের মাধ্যমে নারীর মর্যাদা ও গুরুত্ব সংরক্ষিত হয়। ইসলাম নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে নারী জাতিকে মানবিক উন্নতি ও প্রগতির বুনিয়াদ ঘোষণা করেছে। ইসলাম ঘোষণা করে_সমাজে পুরুষের মতোই নারীর অধিকার রয়েছে। তাই বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমেই নারী-পুরুষের অধিকার নিশ্চিত হয়।

মুসলিম পারিবারিক আইন : মুসলিম পারিবারিক আইন ইসলামী শরিয়তের দ্বারা বিধিবদ্ধ হয়েছে। তবে যুগের বিবর্তনে এবং ক্রমোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সরকারিভাবে আইন ও বিধির দ্বারা কিছু কিছু নীতি নির্ধারিত হয়ে থাকে, এসব আইন, বিধি ও নীতিমালার প্রণয়ন যুগের প্রত্যক্ষ চাহিদা। আর এ লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে প্রণীত হয়েছে মুসলিম বিবাহ আইন। যাতে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন আইনে বৈধ বিবাহের অবশ্য পূরণীয় শর্তগুলো:

বিবাহের যোগ্যতা : বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়কে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক/বয়স্কা এবং সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরুষের বয়স নূন্যতম ২১ বছর এবং স্ত্রীলোকের বয়স নূন্যতম ১৮ বছর হতে হবে।

প্রস্তাব দান এবং কবুল : বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এক পক্ষকে প্রস্তাব দিতে হবে এবং অপর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করতে হবে। প্রস্তাব দান ও গ্রহণ একই মজলিসে কমপক্ষে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন পুরুষ সাক্ষী কিংবা একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এটিই বিবাহ বন্ধন সংগঠিত হওয়ার মূল শর্ত।

সম্মতি : বিবাহের জন্য পাত্র এবং পাত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতির প্রয়োজন। বল প্রয়োগে সম্মতি আদায়ে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে।

বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন : বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত নিকাহ্ রেজিস্ট্র্রার দ্বারা অবশ্যই বিবাহ রেজিস্ট্র্রি করাতে হবে।

বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন ফি : সরকার গেজেট নোটিফিকেশন দিয়ে বিবাহের ফি নির্ধারণ করেছে। বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন ফি দেনমোহরের ওপর নির্ধারণ হয়ে থাকে। দেনমোহরের প্রতি হাজারে ১০ টাকা হারে ফি নিকাহ্ রেজিস্ট্র্রাররা সরকার নির্ধারিত রশিদ প্রদানের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকেন। দেনমোহর বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফি চার হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিবাহ রেজিস্ট্র্রি না করার ফলাফল : যেহেতু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্র্রি করা বাধ্যতামূলক। বিবাহ রেজিস্ট্র্রি না করলে নিম্নলিখিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় :

১. সরকার নিযুক্ত নিকাহ্ রেজিস্ট্র্রার কর্তৃক বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না হলে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের বিবাদ-বিসংবাদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
২. বিবাহ রেজিস্ট্রি না হাওয়ায় বিবাহের বৈধতার ক্ষেত্রে দলিলগত সাক্ষীর অভাব ঘটে, ফলে বিবাদ নিষ্পত্তি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
৩. বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না হওয়ার ফলে মৃতের সন্তানদের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বৈধতার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।
৪. বিবাহ রেজিস্ট্র্রেশন না হলে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোষ ও মোহরানার দাবির মামলা অগ্রাহ্য বলে গণ্য হতে পারে।

বিবাহের দেনমোহর : দাম্পত্যজীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেনমোহর। দেনমোহর বিবাহের একটি অত্যাবশ্যকীয় শর্ত। বিবাহের রেজিস্ট্র্রেশনের সময় দেনমোহর ধার্য করতে হবে। স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে ন্যায়সঙ্গতভাবে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে।

বিবাহের সময় প্রতিদানস্বরূপ বর কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দিতে সম্মত অথবা গৃহীত কোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানতকে মোহর বলে। মোহরপ্রাপ্তির অধিকার সম্পূর্ণরূপে স্ত্রীর। মোহরানা বলতে এমন অর্থ সম্পদ বুঝায়, যা বিয়ের বন্ধনে স্ত্রীর ওপর স্বামীত্বের অধিকার লাভের বিনিময়ে স্বামীকে আদায় করতে হয়।

মোহরানা স্বামীর কোনো করুণা নয়, না কোনো সামাজিক ট্রাডিশন। স্ত্রীর মোহরানা দেওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার যে নির্দেশ তা নামাজ রোজার মতোই একটি নির্দেশ। স্ত্রীর মোহরানার অর্থ আদায় করা স্বামীর ওপর যেমন অবশ্য কর্তব্য, তেমনি তা ইবাদতও।

ইসলামী শরিয়তের বিধান মোতাবেক মোহর আদায় প্রতিটি স্বামীর জন্য ফরজ। দেনমোহর স্বামীর জন্য একটি ঋণ, সর্বাবস্থায় দেনমোহর পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। রাসুল (সা.) বলেছেন – ’যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে মোহরানা দেওয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করতে তার ইচ্ছে নেই, কেয়ামতের দিন সে আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে’ (মুসনাদে আহমদ)।

কোন মাধ্যমে প্যাকেজ কিনবেন (মুড অফ পেমেন্ট )

আপনার যদি ডাচবাংলা ব্যাংকের ডেবিট কার্ড (নেক্সাস) থেকে থাকে কিংবা যেকোন ব্যাংকের ভিসা বা মাষ্টার চিহ্নিত কোন কার্ড থাকে তবে আপনি বিবাহবিডি ডট কম থেকেই সরাসরি প্যাকেজ কিনে সর্বোচ্য ২ মিনিটের মধ্যেই পেইড মেম্বার হিসাবে সুবিধা পেতে পারেন। তাছাড়া বিবাহবিডি ডট কমের ৩ টি ব্যাংক একাঊন্ট রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচবাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া – প্যাকেজ প্রাইজ ব্যাংকে ডিপোজিট করে বিবাহবিডি ডট কমের হট লাইন নাম্বারে SMS  অথবা ফোনে যোগাযোগ করা হলে স্বল্প সময়ের  মধ্যেই  আপনার প্রোফাইল আইডির বিপরীতে প্যাকেজ টি সয়ংক্রিয় ভাবে ACTIVE         হয়ে যাবে। কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং বা বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে মেম্বারশীপ আপগ্রেড করতে পারবেন। তাছাড়া ও আপনার যদি পেপ্যাল একাউন্ট থাকে তবে পেপ্যালের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

নিচে ইউজারদের সুবিধার্থে বিবাহ বিডি ডট কমের ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার সহ ব্যাংক  দেয়া হলোঃ

 

ভিসা / মাষ্টার কার্ড দিয়ে কিভাবে প্যাকেজ কিনবেন

বিবাহবিডিতে লগিন করার পর, বাম পাশের ম্যানুর নীচের দিকের প্যানেল
Payment Option থেকে Upgrade account                   এ ক্লিক করুন –

ছবি গুলো অনুসরন করুনঃ

চিত্রঃ ১
চিত্রঃ২
চিত্রঃ৩
চিত্রঃ৪
যথাযথ ভাবে আপনার  ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিয়ে SUBMIT বাটনে ক্লিক করলে সয়ংক্রিয় ভাবে আপনার মেম্বারশীপ টি আপগ্রেড হয়ে যাবে । এবং কনফার্মেশন নোটিফিকেশন ও ইমেইল পাবেন।

তারপর ও কোন সমস্যায় পড়লে বিবাহবিডি ডট কমের কাষ্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভের সাহায্য নিতে ০১৯২২১১৫৫৫৫ এ কল করুন।

কিভাবে পছন্দের প্রোফাইলের সাথে যোগাযোগ করবেন

আপনি কয়েকটি প্রন্থায় বিবাহবিডির ইউজারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন –

১) প্রোপোজাল পাঠিয়েঃ
আপনার কাছে আসা প্রোপোজাল গুলো এক্সেপ্ট করুন এবং এক্সেপ্ট করার পর প্রোফাইল টি পুনরায় ওপেন করার পর ঐ প্রোফাইলের নীচে ইউজারের কন্টাক্ট ইনফরমেশন পাওয়া যাবে।

ছবিতে দেখুনঃ

২) ম্যাসেজ লিখেঃআপনি আপনার যোগাযোগের সকল তথ্য দিয়ে (ফোন নাম্বার, ইমেইল, এড্রেস) সরাসরি আপনার পছন্দের ইউজারকে ম্যাসেজ লিখতে পারেন এ ক্ষেত্রে ঐ ইউজারকেও বিবাহবিডির কোন একটি মেম্বারশীপে থাকতে হবে।  ছবিতে দেখুনঃ

৩) সরাসরি কন্টাক্ট ডিটেইল পিক করেঃ আপনার পছন্দের কোন ইউজারের কন্টাক্ট ডিটেইলস (ফোন নাম্বার, অল্টারনেটিভ ফোন নাম্বার, ইমেইল, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা ) নিতে হলে তার প্রোফাইল ওপেন করুন –

ছবিতে দেখুনঃ
 

টয়লেট পেপারের বিয়ের পোশাক

বিয়ের জন্য বর-কনের কত না চিন্তাভাবনা থাকে। কোন দোকান থেকে কোন ব্র্যান্ডের পোশাক কিনবেন, রং কেমন হবে ইত্যাদি ভাবনায় সে সময় অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন তাঁরা। তারপর বিয়ের দিন জমকালো পোশাকে সবার সামনে হাজির হন উভয়ে। কিন্তু বর-কনের সেই পোশাক যদি টয়লেট পেপার দিয়ে তৈরি হয়! অবাক হওয়ার কিছু নেই। সত্যি সত্যি এমন ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কেশপরিচর্যাকারী কাপড় ও সুতার বদলে শুধু টয়লেট পেপার দিয়ে তৈরি করেছেন বিয়ের পোশাক। শুধু তা-ই নয়, এই বিয়ের পোশাকটি তৈরি করে তিনি জিতে নিয়েছেন দুই হাজার মার্কিন ডলার।

আজ শনিবার ইয়াহু নিউজের এক খবরে জানা গেছে, সাউথ ক্যারোলাইনার মিমোজা হাসকা নামের ওই কেশপরিচর্যাকারী নিউইয়র্কে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন, যেখানে বিয়ের পোশাকের নকশা করে পাঠাতে হবে। যাঁর নকশা প্রথম হবে, তিনি পাবেন দুই হাজার মার্কিন ডলার। গত বৃহস্পতিবার ওই প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করে পুরস্কার দেওয়া হয়।প্রতিযোগিতার বিচারক কেট পানকোক বলেন, টয়লেট পেপার দিয়ে মেয়েটি যে পোশাকটি বানিয়েছেন, তা সত্যিই বিস্ময়কর। তিনি শুধু টয়লেট পেপার, আঠা, সুচ ও টেপ ব্যবহার করেছেন। কোনো কাপড় ব্যবহার না করেও জাঁকজমক একটি বিয়ের পোশাক হয়েছে।

পুরস্কার নেওয়ার পর মিমোজা হাসকা বলেন, ‘আমি পোশাক ও তাতে কাজ পছন্দ করি। সবাই ভালো কাজ করে। আর আমাকে যে সম্মান দেওয়া হয়েছে, এতে আরও ভালো লাগছে।’

Prothom alo

অনলাইনের সম্পর্ক বেশি টেকসই

বিবাহিতদের মধ্যে যারা অনলাইন ব্যবহার করেন তারা অপেক্ষাকৃত বেশি সুখী এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক চমৎকারভাবে টিকে থাকে। আর অনলাইনের পরিবর্তে যারা গতানুগতিকভাবে সামাজিক সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল তা স্কুল বা কোনো অনুষ্ঠানে হোক তাদের চেয়ে অনলাইনের সম্পর্ক রাখে এমন জুটি টেকসই হয় বেশি। অšত্মত অনলাইনের সম্পর্ক রাখে এমন জুটি যারা অনলাইন ব্যবহার করেন না তাদের চেয়ে ২৫ ভাগ বেশি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হন।

২০ হাজার দম্পতি যারা গত ২০০৫ থেকে ২০১২ সালে বিয়ে করেছেন তাদের অধিকাংশই বলেছেন, অনলাইনে তারা যে শুধু বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন তা নয়, বরং তারা তাদের কাছের মানুষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগে অনলাইনকেই পছন্দ করেন। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালিফোর্নিয়ার জেসটল্ট রিসার্চের গবেষকদের কাছে তারা বলেন, তাদের অনেকেরই প্রথম পরিচয় হয়েছে অনলাইনে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এ্যাকাডেমি অব সাইন্সের জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশকে সামাজিক কোনো অনুষ্ঠান, বার, ক্লাব বা বিয়ে শাদীতে কারো সঙ্গে দেখা হবার চেয়ে শলাপরামর্শ এখন অনেকে অনলাইনে সেরে নিচ্ছেন। দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে অনলাইনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ফলে অনলাইন ডেটিং এখন বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে।

অনলাইনে দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চ্যাট রুম, অনলাইন কমিউনিটিস, মাল্টি প্লেয়ার গেম, মেইলে যোগাযোগ রাখছেন সার্বক্ষণিকভাবে।

অনলাইনে দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্কে বিয়ের আগে বি¯ত্মারিত জানতে পারে বলে তাদের বিয়ে টেকসই হচ্ছে বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও এধরনের অনলাইনের ওপর নির্ভরশীলতা অন্যান্য দেশেও বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে ইন্টারনেট এখন বিশ্বমাত্রিক হয়ে উঠেছে। তবে ইউরোপের মধ্যে ব্রিটিশরা সবচেয়ে বেশি অনলাইন নির্ভর জাতি হিসেবে পরিচিত।

এমনকি অনলাইনে যারা যোগাযোগ রাখে তারা সাক্ষাতে যোগাযোগের ইচ্ছে প্রকাশ করেন বেশি। কারণ তাদের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান হয় বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে এ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে গত বছর ব্রিটেনে অšত্মত ৫৭ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ডেটিংএ অভ্য¯ত্ম ছিল যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ২২ ভাগ হারে। বিশেষ করে ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ইন্টারনেট বা অনলাইন ব্যবহার করার ঝোঁক সবচেয়ে বেশি।

Amadershomoy.com

সন্দেহের ভূত…

সন্দেহের ভূত অনেকের মাথাতেই চেপে বসে। দাম্পত্যেই সাধারণত বেশি দেখা যায় এমন পরিস্থিতি। কখনো স্বামী, কখনো স্ত্রী মনে করেন যে তাঁর সঙ্গীর অন্য কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। যদিও তা বাস্তবে সত্য নয়। এই সন্দেহপ্রবণতাকে বলা হয় মরবিড জেলাসি, যার আরেকটি পোশাকি নাম ওথেলো সিনড্রোম। শেক্সপিয়ারের নাটকের চরিত্র ওথেলো এই সন্দেহের ভূতের কবলে পড়ে তাঁর স্ত্রী ডেসডিমোনাকে হত্যা করেছিলেন।

ভ্রান্ত বিশ্বাস, খুঁতখুঁতে মনোভাব থেকে এ সমস্যা হয়ে থাকে অনেকের। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। সাধারণত ব্যক্তিত্বের ধরন, পারিপার্শ্বিকতার প্রভাব, আর্থিক অসংগতি, নিজের যৌন দুর্বলতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, মাদকে আসক্তি, মানসিক রোগ ইত্যাদি কারণে সন্দেহপ্রবণ হয়ে ওঠে ব্যক্তি। সন্দেহের কারণে অতি উৎকণ্ঠা, বিষণ্নতা, খুঁতখুঁতে বা মারমুখী আচরণ, ঘুমের সমস্যাও দেখা যায়। সন্দেহ দিনের পর দিন চলতে থাকলে দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল দেখা যায়, পারিবারিক সম্প্রীতি নষ্ট হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ হলো সন্দেহের বশবর্তী হয়ে সন্দেহভাজনকে হত্যা, সন্তান হত্যা, গুরুতর আঘাত বা আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

সন্দেহের বিষয়টি যখন বড় আকার ধারণ করে, তখন সেটাকে বলা হয় প্যারানয়েড ডিলিউশন। যাঁর মধ্যে এ সমস্যা থাকে, তিনি তাঁর সঙ্গীকে অবিশ্বাস করেন, বিশ্বাস করেন আশপাশের সবাই তাঁর ক্ষতি করতে চায়, কখনো মনে করতে পারেন তাঁর কাছের মানুষেরা তাঁর খাবারে বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে ইত্যাদি। অপর দিকে ওথেলো সিনড্রোমের ক্ষেত্রে সন্দেহটি খুবই সুনির্দিষ্ট, সঙ্গীর অন্য কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে—এই ভ্রান্ত বিশ্বাসের মধ্যেই সন্দেহ সীমাবদ্ধ।

সন্দেহের ভূত তাড়াতে:

দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে সাধারণ ভুল-বোঝাবুঝি বা সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টিকে বড় হতে না দিয়ে শুরুতেই তা নিয়ে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করুন।
আপনার সন্দেহটি সঠিক কি না, তা বারবার যাচাই করে দেখুন।
সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া সঙ্গীকে দোষী সাব্যস্ত করবেন না, সন্দেহের ঘটনাটি তাঁর দিক থেকেও দেখুন।
সন্তানদের এই বিষয়ে জড়াবেন না।
গোপনে নজরদারি এড়িয়ে চলুন, গোয়েন্দার ভূমিকায় না থেকে বন্ধুর ভূমিকায় বিষয়টি জানার চেষ্টা করুন।
অধীনের কর্মচারী, কাজের লোক, গাড়িচালক বা নিরাপত্তাকর্মীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন না।
আপনাদের সম্পর্কে ফাটল ধরাতে তৃতীয় কেউ ষড়যন্ত্র করছে কি না, তা যাচাই করুন।
আপনি নিজে সন্দেহের শিকার হলে, সাময়িক সমাধানের জন্য মিথ্যা বলবেন না।
হঠকারী আচরণ এড়িয়ে চলুন।যদি মনে হয়, এটি সাধারণ ভুল-বোঝাবুঝির চেয়ে কিছু বেশি বা দুজনের কারও মধ্যে কোনো মানসিক সমস্যা রয়েছে, তবে দেরি না করে দ্রুত মানসিক রোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আহমেদ হেলাল (প্রথম আলো)

বিয়ের আগে বিয়ের পরে

‘বিয়ের আগে অসম্পূর্ণ ছিলাম, বিয়ের পর একদম বরবাদ হয়ে গেছি।’ কমেডিয়ান হেনরি ইয়াংম্যানের স্রেফ রসিকতা এটি। শুনে তো হাসবেনই, তবে একবার হয়তো নিজের বিয়ের পর প্রথম দিনকার কথাগুলোও মনে পড়ে যাবে।

সারা রাত পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজ করে ভোরের আলো ফোটার পর ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস যে মেয়েটির, তাঁকে হয়তো বিয়ের পর ১১টা বাজতেই ঘুমানোর আয়োজন করতে হয়। মশারি খাটালেই দম বন্ধ হয়ে যেত যাঁর, তাঁর স্বামীর হয়তো একটি মশার গুনগুন কানে গেলেই ঘুম হারাম হয়ে যায়। পরিপাটি খাবার টেবিলে সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়ায় অভ্যস্ত মেয়েটির, শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা হয়তো টেলিভিশনের সামনে বসেই কোনোমতে খেয়ে নেন।

ঝাল খাওয়ার একদমই অভ্যাস ছিল না মেয়েটির। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে সবাই খুব ঝাল খান। এক বছর চেষ্টা করেও মানিয়ে নিতে পারেননি মেয়েটি এই খাদ্যাভ্যাসে। এখন বাধ্য হয়েই নিজের জন্য আলাদা রাঁধার ব্যবস্থা করে নিতে হয়েছে। তাতে শাশুড়ি একটু ক্ষুণ্ন হয়েছেন, কিন্তু খাওয়াদাওয়ার কষ্ট থেকে তো মুক্তি পেয়েছেন তিনি। এ নিয়ে রোজকার খিটিমিটিও আর হয় না এখন। নাম না প্রকাশ করার শর্তে এমনই জানিয়েছে তিনি।

বিয়ের আগের জীবন আর বিয়ের পর—দুটোয় আকাশ-পাতাল তফাৎ, এমন বলেন অনেকেই। তবে সেই নতুন জীবনেও তো মানিয়ে নিতে হবে। আর সেজন্য চাই ধৈর্য আর ইচ্ছাশক্তি।

মনিকা’স বাঁধন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মনিকা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে দম্পতিদের পরামর্শদাতা

হিসেবেও কাজ করছেন। তিনি মনে করেন, প্রেম করে বিয়ে করা জুটিদের মধ্যে একটা বোঝাপড়া আগেই তৈরি হয়ে যায়। একটু সতর্ক থাকতে হবে সম্বন্ধ করে বিয়ে হলে বা বিয়ের পর যৌথ পরিবারে থাকতে হলে। নতুন জীবনে সমস্যা হলে সেটা লুকিয়ে রেখে লাভ নেই। বরং বলে ফেলাতেই দুজনের বোঝাপড়া তৈরি হওয়া সম্ভব। তবে এখানেও খুব সাবধান। ‘বলার ধরন আর বলার সময় দুটোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটা কিছু হলেই অনুযোগ না করে বরং পরে অন্তরঙ্গ সময়েও ভালোভাবে সেটি বুঝিয়ে বলা যায়। হাসিঠাট্টার মধ্যে বলা গেলে তো আরও ভালো।’ বলেন মনিকা পারভীন।

বাথরুম ভেজা থাকাটা হয়তো দারুণ বিরক্তিকর আপনার কাছে। অথচ স্বামী বাথরুমে যাওয়া মানেই পুরো বাথরুম ভিজে একাকার হওয়া। এমনকি কোনো দিন হয় যে সেই ভেজা বাথরুমে পা পিছলে গেল তাঁরই। তখন ঠাট্টা করে বলতে পারেন, ‘দেখলে তো তুমিই ভুগলে’। এভাবে বললে তিনি নিশ্চয়ই আরও সতর্ক হবেন। তিনি বাথরুম থেকে বের হওয়া মাত্রই চেঁচামেচি করাটা কোনো সমাধান নয়। আর এটাও মেনে নিতে হবে দশটা সমস্যার মধ্যে হয়তো সাতটির সমাধান হবে। বাকি তিনটি মানিয়ে নিতে হবে।

যৌথ পরিবার হলে শুরু থেকেই পরিবারের সবার সঙ্গে মিশতে হবে। অনেকেই ভাবেন, বিয়ের পর একটু চুপচাপ থাকি। কিছুদিন পর থেকে সংসারের কাজ করব, সবার সঙ্গে অন্তরঙ্গতা বাড়াব। এই মনোভাবও ঠিক নয় বলে মনে করেন মনিকা।

বাপের বাড়ির সুবিধাগুলো একটি মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে পাবেন না, তা কিন্তু নয়। তবে শুরুতেই নিজের সমস্যা বা অভ্যস্ততার ব্যাপারগুলো বলা ঠিক না। আর বলতে হলেও স্বামীকেই প্রথম বলা উচিত। তিনিই অন্যদের বুঝিয়ে বলবেন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে নাশতা বানাতে হবে, ঠিক তা হয়তো এখনকার শাশুড়িরা আশা করেন না। কিন্তু উঠে একটু রান্নাঘরে যাওয়া, পরিবেশন করা, এটুকু করলে তিনি খুশি হন। এভাবে সম্পর্কটা সহজ হয়ে এলে একসময় তিনিই খেয়াল করবেন আপনার অসুবিধাগুলো। আর সঙ্গে সঙ্গেই সমস্যার কথা না বলে একটু সময় নিন। ভেবেচিন্তে পরে এ নিয়ে আলোচনা করুন।

রুহিনা তাসকিন (প্রথম আলো)

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার কিংবা প্রবাসী পাত্রপাত্রী খুঁজতে

বিবাহযোগ্য ছেলে মেয়ে ; চিন্তিত অভিভাবক।  পাত্র পাত্রীর খোঁজে চলে ফিসফিস গোচরে অগোচরে।  আত্মীয় পরিজন কিংবা পরিচিতদের মধ্যে চলে পাত্র পাত্রীর খুঁজার পালা। পাত্র পাত্রীর খুঁজ পেলেই চলে – ঢাক ঢোল পিটিয়ে পাত্র পাত্রীর দেখার আয়োজন, কোন কারনে যদি সমন্ধ ভেচতে যায় তখন যেন প্রতিবেশীরও আগ্রহ বেড়ে যায় অনেকগুন আর অস্থির অভিভাবকের প্রত্যহ জীবনে যোগ হয় আরো একটি দীর্ঘশ্বাস।

 

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে ট্রেডিশনাল এই পাত্র পাত্রীর দেখার সিষ্টেম মোটেও সুখের নয় আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের জন্য। আর তাই শিক্ষিত অনেক পরিবারের ছেলে মেয়েরাই এখন লগিন করছে বিবাহবিডি ডট কমে।

কেন বিবাহবিডিতে পাত্র/পাত্রী খুঁজবেনঃ
আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ও পছন্দের প্রফেশনের অসংখ্য পাত্র/পাত্রী থেকে নিজের পছন্দের পাত্র/পাত্রী খুঁজার অধিকার অবশ্যই আপনার আছে। তো কেন মুখ বুঁজে বসে থাকবেন? জীবন একটায় আর একটি সুখী জীবনের জন্য চাই একজন সুন্দর মানুষ। তাই নিজেই বিবাহবিডিতে প্রোফাইল করুন, নিজেই খুঁজুন এবং নিজেরাই পাত্র/ পাত্রী কিংবা তার অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন। এতে লোক জানাজানি ঝামেলা যেমন নেই তেমনি খরচ ও কম।

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫  এ কল করুন ২৪/৭

নিচের এই স্ক্রীন শর্ট থেকে দেখে নিন বিবাহবিডিতে কোন প্রফেশনের কত জন পাত্র/পাত্রী আছে যারা কিনা হয়তো আপনার মতই একজনের অপেক্ষায় দিন গুনছে। সরাসরি লিংকে যেতে ক্লিক করুন।
যে সকল শিক্ষিত ছেলে মেয়ারা ভূল সঙ্গী নির্বাচন করে ইতি মধ্যে সেপারেটেড কিংবা ডিভোর্স নিয়েছেন, ঠিক তাদের মতই অনেক ছেলে মেয়ে ও আবার নতুন করে সুখী হতে বিবাহবিডিতে প্রোফাইল করেছেন আপনি চাইলেই তাদের প্রোফাইল দেখেও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

স্কীন শর্ট দেখুন ডিভোর্স/ সেপারেটেড কতজন ছেলে আপনার মতই একজনের অপেক্ষায় আছে
কিভাবে বিবাহবিডিতে রেজিষ্ট্রেশন করবেন –
আপনি যদি বিয়ের ব্যাপারে সিরিয়াস হয়ে থাকেন তবে নীচের লিংকে ক্লিক করে ফ্রী রেজিষ্ট্রেশন করুন।

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫  এ কল করুন ২৪/৭

কোন কারনে রেজিষ্ট্রেশন করতে সমস্যায় পড়লে বিবাহবিডির কাষ্টমার সাপোর্ট আপনাকে ২৪/৭ দিনই হেল্প করার জন্য প্রস্তুত আছে আপনি ফোনে (০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫) তাদের সাহায্য নিতে পারেন।

আপনার রেজিষ্ট্রেশন টি শেষ হয়ে গেলে বিবাহবিডির একজন কাষ্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ আপনাকে ফোন করে আপনার রেজিষ্ট্রেশনের প্রদত্ত তথ্য গুলো ফোনে রিভিও করে আপনাকে ৩ দিনের জন্য বিবাহবিডিতে ফ্রী এক্সেস দিবে ও বিবাহবিডির সার্ভিস সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারনা দিবে। ৩ দিনের ফ্রী ট্রায়াল মেম্বারশীপে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী সব প্রোফাইল দেখে পছন্দের প্রোফাইল গুলোকে বাছাই করতে পারবেন। এবং পরবর্তীতে মেম্বারশীপ নিয়ে পাত্র কিংবা তার অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে ফোন করুন বিবাহবিডি ২৪/৭ কাষ্টমার সাপোর্ট : ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫