রাজধানী সুপার মার্কেট

ঠিকানাঃ  মার্কেটটি ঢাকা মহানগরীর টিকাটুলীতে অবস্থিত। এই মার্কেটের বিপরীত পাশে রয়েছে ঐতিহাসিক বলধা গার্ডেন ও সালাউদ্দিন জেনারেল হাসপাতাল। একতলা ভবন বিশিষ্ট এই মার্কেটের চারপাশেই রাস্তা রয়েছে। ফলে  মার্কেটের চতুর্দিক দিয়ে এতে ০৮ টি প্রবেশ পথ রয়েছে।

 সময়সূচী
সপ্তাহের রবিবার পূর্ণ দিবস এবং সোমবার অর্ধদিবস ছাড়া সপ্তাহের বাকী দিনগুলো মার্কেট সকাল ১০.০০ টাকা থেকে রাত ৮.০০ পর্যন্ত খোলা থাকে।

 দোকানের অবস্থান
মার্কেটের পূর্ব পাশে শাট প্যান্টের দোকান, পশ্চিম পাশে খাবার দোকান-শাড়ীর দোকান-হাড়ি পাতিলের দোকান-জুতার দোকান, উত্তর পাশে থান কাপড়ের দোকান, দক্ষিণ পাশে জুয়েলারী ও কসমেটিকসের দোকান রয়েছে।

যেসব পণ্য পাওয়া যায়:
এখানে নিত্যদিনের ব্যবহার্য হাড়ি পাতিল, কসমেটিক্স, কাপড়, স্যান্ডেল, শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, ব্যাগ, ঘর সাজানোর জন্য বেড শীট, বালিসের কাভার, পর্দার কাপড়, সোফার ফোম, ইমিটেশন সামগ্রী, শিশুদের খেলনা, গিফট সামগ্রীসহ দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সকল প্রকার পণ্য এই মার্কেটে পাওয়া যায়। এখানে দেশী পণ্যের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, ভারত, জাপান, চায়না এবং পাকিস্তান থেকে আমদানিকৃত পণ্য সামগ্রীও পাওয়া যায়। বিদেশী পণ্যগুলোর মধ্যে কাপড়, স্যান্ডেল ও কসমেটিক্স সমাগ্রী রয়েছে।

 বিক্রয়ের ধরণ
কিছু দোকানে নির্দিষ্ট মূল্যে বা একদামে পণ্য বিক্রয় হয়ে থাকে। তবে বেশীরভাগ দোকানে আলোচনা সাপেক্ষে পণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। একদরের দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে পারটেক্স টেক্সটাইল, প্রাইম টেক্সটাইল, রেক্স, বাটা, প্লাস পয়েন্ট। মার্কেটটি খুচরা মার্কেট হিসেবে পরিচিত হলেও এখানে পাইকারি বিক্রয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। কাপড়ের ক্ষেত্রে ৫টি, কসমেটিক্স ৫,০০০ টাকা, জুতা ১০ জোড়া থেকে ২০ জোড়া, চাদর ১ গিট, পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি ১ গাদী ক্রয় করলে পাইকারি দামে পাওয়া যায়। এখানে ক্রয়কৃত পণ্য পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। পরিবর্তনের সময় ক্যাশ মেমো প্রদর্শন করতে হয়।

 মৌসুমী পণ্য ও মূল্য ছাড়
বছরের বিভিন্ন সময় যেমন শীতের সময় শীতের পোশাক, ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখে নতুন ডিজাইনের বিশেষ পোষাক ও কাপড় পাওয়া যায়। স্টক থাকাকালীন সময়ে দোকানগুলোতে ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে।

 অভ্যন্তরীণ পরিবেশ
মার্কেটের ভিতরের চলাচলের গলি বা পথগুলো খুব বেশি প্রশস্ত নয়। ফলে একসাথে  বেশি লোক চলাচল করতে পারে না। মার্কেটের ভেতরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা না থাকায় প্রচন্ড গরম অনুভূত হয় এবং বৃষ্টি হলে এর ভিতরে পানি প্রবেশ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

 অগ্নি নির্বাপন
মার্কেটটিতে অগ্নি নির্বাপনের জন্য তিনটি পানির ট্যাংকে সর্বদাই পানি মজুদ রাখা হয় এবং এখানে ফায়ার এক্সিটের ব্যবস্থাও রয়েছে।

 টয়লেট
মার্কেটের পূর্বদিকে বাটার শোরুমের পাশে RAB অফিসের পেছনে পুরুষের জন্য ২টি ও মহিলাদের জন্য ২টি টয়লেট রয়েছে।

 বিবিধ
এখানে বেশ কিছু খাবারের দোকান রয়েছে। এসব দোকানে চটপটি, ফুসকা, ফালুদা ও ফাষ্ট ফুড পাওয়া যায়। মার্কেটের পূর্ব পাশের প্রথম গেটে ৮ থেকে ১০ গাড়ী পার্কিং করা যায়।

মন্তব্য করুন