জীবন সঙ্গী নির্বাচনের কিছু উপায়

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য সঠিক জীবন সঙ্গী নির্বাচনের গুরত্ব অনেক। বিয়ের পর কখনও যেন এমনটা মনে না হয় যে, জীবন সঙ্গী আপনার জন্যে সঠিক নয়। তাই সময় থাকতেই জেনে নিন, সঠিক জীবন সঙ্গী নির্বাচনের কিছু উপায়।

এমন কেউ যার সঙ্গে যোগাযোগ করা সহজ:

যে খুব সহজেই সবার সঙ্গে গল্প বা কথা বলতে পারেন, যাকে খুব সহজে আপনার মনের কথা বলতে পারেন, যার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারেন এমন মানুষ নির্বাচন করা উচিত। এতে করে অনেক কথা বলতে এবং অনেক কাজ সহজে করতে পারবেন আপনি; অবশ্যই এটা আনন্দের।

আগ্রহ এবং গুণসম্পন্ন:

যিনি নিজের আগ্রহ এবং শখের বিষয় আপনাকে জানাবে এবং তার ভালোলাগার অনেক কিছু্ই আপনারও ভালো লাগবে। তবে এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তার সব ভালো লাগার সঙ্গে আপনার সব ভালো লাগা নাও মিলতে পারে। কিন্তু কিছু ভালো লাগা অবশ্যই মিলতে হবে।  যখন আপনি কারো সঙ্গে জীবন কাটানোর সীদ্ধান্ত নেবেন তখন অবশ্যই আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে, আপনারা দুজন একই ধরনের কাজে আনন্দ পান কি না।

সঙ্গীর মেধা যাচাই করুন:

যদি আপনি স্থীর স্বভাবের হন এবং আপনার সঙ্গী কথা এবং কাজে আপনার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে থাকেন তবে সেটা আপনার বৈবাহিক জীবনে ক্ষতির কারণ হতে পারে। আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে, দুজনের মতের মিল কতটুকু রয়েছে? মতের মিল দাম্পত্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

মান বজায় রাখা:

জীবন সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনার এবং আপনার পরিবারের মান-মর্যাদার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্যাটাসের অমিল হলে যদিও খুব একটা সমস্যা হয় না। তবে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে, আপনার সঙ্গী যেন আপনার সমাজের বাইরের না হয়।

একে অন্যকে সম্মান দিতে হবে:

এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে জীবন কাটানো সম্ভব নয় যে আপনাকে, আপনার স্বপ্ন এবং আপনার ব্যক্তিত্বকে সম্মান দেয় না। তাই এমন জীবন সঙ্গী নির্বাচন করুন, যিনি আপনাকে এবং আপনার ব্যক্তিত্বকে সম্মান করেন।

বিশ্বাসযোগ্য:

এমন কাউকে নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাকে আপনি পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেন। একে অন্যের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থার জায়গা না থাকলে সুখী বৈবাহিক জীবন-যাপন একেবারেই অসম্ভব।

একসঙ্গে সময় কাটাতে হবে:

একই ধরনের শখ বা আগ্রহ থাকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি একে অন্যকে সময় দেয়াটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ রাখবেন, আপনার সঙ্গী আপনাকে সময় দিতে কতটা আগ্রহী এবং আপনাকে সময় দিতে ভালোবাসে কি না।  এর পাশাপাশি দুই জনে বোঝাপড়া বা সমঝোতার মধ্যে থাকলে এবং একে অন্যকে বুঝে চললে সর্বোপরি সুখী দাম্পত্য জীবন কাটানো সম্ভব।