fbpx

বিশ্বব্যাপী পাত্রপাত্রীর সন্ধান অনলাইনে । বিবাহবিডি ম্যাট্রিমনি সার্ভিস

ঘরে বসেই পাত্রপাত্রীর সন্ধান পেতে, শিক্ষিত পরিবারগুলো এখন ঝুকছে অনলাইন ম্যাট্রিমনি সার্ভিসের দিকে। বাংলাদেশে ম্যাট্রিমনি সার্ভিস এখন বেশ জনপ্রিয়।

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও  নগরায়নের ফলে মানুষের মধ্যে ব্যস্ততা বেড়েছে তীব্র ভাবে। হাতে হাতে স্মার্ট ফোন, বিশ্ব এখন হাতের মুঠোই।

সেই সাথে বাড়ছে,  ডিভোর্সের সংখ্যাও। তাছাড়া বাংলাদেশের মত বিশাল জনগোষ্টির দেশে দ্রুততার সাথে কাংখিত পাত্রপাত্রীর খোঁজ পেতে এখন অনলাইন ম্যাটিমনি সার্ভিসের কোন বিকল্প নেই।

পাত্রপাত্রীর সন্ধান ঘরে বসেই অনলাইনে
পাত্রপাত্রীর সন্ধান ঘরে বসেই অনলাইনে

কেন বলছি এই কথা, একটা উপমা দেই
আজগর সাহেব, একজন সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী, তার ১ ছেলে অষ্ট্রেলিয়া লেখা পড়া শেষ করে ওখানেই জব করছেন, এক মাত্র মেয়ে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবি এ শেষ করেছেন – আজগর সাহেব এখন চাচ্ছেন, তার স্যোশাল ষ্টেটাস অনুযায়ী একটি ভালো ফ্যামেলীতে ছেলে মেয়েকে বিয়ে দিতে।

দ্বারস্থ হয়েছেন  বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, ও পরিচিত পরিজনের, সেখানে নানান বিপত্তি, সবাই ব্যস্ত। কালে ভাদ্রে সমন্ধ এলেও ব্যাটে বলে হচ্ছেনা। ১০ টা পরিবার দেখে ১টি ভালো পরিবার বাছাই করবেন এমন মিলছে না । এর মধ্যে আবার কিছু  ট্রেডিশনাল ঘটক;  নাম স্বর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে হতাশ হয়েছেন, তারা এখন ফোনই ধরছে না।

এখন প্রশ্ন হলো –
ম্যাট্রিমনি সার্ভিস নিতে হলে
একজন গ্রাহক, কিভাবে একটি ভালো প্রতিষ্ঠান – নির্বাচন করবেন?


যে প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি সেবা নিবেন, প্রথমেই সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগে জানুন। তাদের ওয়েব সাইট দেখুন, সেই প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল স্যোশাল পেইজ,  ফেইসবুক, ইউটিউব চ্যানেল দেখুন, তাদের কাছে কি পরিমান সাম্প্রতিক সিভি আছে তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন, তাদের টিম মেম্বার কতজন সেটা জানুন, প্রয়োজনে অফিস ভিজিট করুন।

তারা আপনাকে কিভাবে সেবা দিবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
তবে কারো আশ্বাসে – আত্নহারা হবেন না।

আমাদের সমাজে ঘটকালী সার্ভিস ও ম্যাট্রিমনি সার্ভিস নিয়ে ভ্রান্ত ধারনা আছে।
প্রচলিত ঘটকালীতে ঘটকরা মিথ্যা বলে, আপনাকে ১০টা মিথ্যা বলবে, বিয়ে করিয়ে দেয়ার শতভাগ গ্যারান্টি সহ নিশ্চয়তা দিবে।

মুলত,  কোন মানুষই, যাকে তাকে বিয়ে করেন না, দুইপক্ষের পছন্দ ও পারিবারিক সামঞ্জ্যতায় একটি বিয়ে সংগঠিত হয়। 

এক্ষেত্রে – ম্যাট্রিমনি সার্ভিস বিবাহবিডি ব্যাতিক্রম, উদাহারন স্বরুপ –
আজগর সাহেবের মতএকজন ক্লাইন্ট যখন বিবাহবিডিতে আসেন তখন,  বিবাহবিডি একটি লিখিত এগ্রিমেন্ট করে।  যেখানে উল্লেখ থাকে পরবর্তী ৩৬০ দিনে – আজগর সাহেব তার মেয়ের পার্টনার প্রেফারেন্স অনুযায়ী কতগুলো সিভি পাবেন।

শর্ত অনুযায়ী, এর মধ্যে থেকে যাদের সাথে প্রাইমারী কমিউনিকেশন ভালো হবে, তাদের সাথেই তিনি ফ্যামেলী মিটিংয়ে বসবেন। আর সেই মিটিং এরেঞ্জ বিবাহবিডিই করে দিবে। এভাবেই আজগর সাহেবের মতন একজন গ্রাহক – বছর ব্যাপী ধারাবাহিক সেবা পেয়ে থাকেন।

তাছাড়া তিনি চাইলেই বিবাহবিডিতে লগইন করে পছন্দ অনুয়ায়ী প্রোফাইল দেখে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন আর পুরো প্রক্রিয়াটা নিশ্চিত হয় অনলাইন সফটওয়ার অটোমেশনের মাধ্যমে।

একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা নিতে হলে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে – তাদের একটি চৌকষ টিম আছে কিনা, একইসাথে হাজার হাজার গ্রাহককে সেবা দেয়ার ক্যাপাসিটি আছে কিনা।

অধিক গ্রাহকের সাথে ননষ্টপ যোগাযোগ রক্ষায় বিজনেস অটোমেশন করা আছে কিনা। লাখ লাখ ইউজারদের নিয়ে ম্যাটিমনি সার্ভিস পরিচালনা একটি মহাযজ্ঞ। যা কোন ভাবেই ম্যানুয়ালী করা সম্ভব না।

তাই একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মপ্রন্থা জানতে পারলে,  তাদের কি কি ডিপেন্ডিন্সী আছে – তারা শেষ পর্যন্ত আপনাকে কমিটমেন্ট অনুযায়ী কাংখিত সার্ভিস দিতে পারবে কিনা সেগুলো সহজে বুঝতে পারবেন।

বিবাহবিডি বিশ্বব্যাপী ম্যাট্রিমনি সার্ভিস দিচ্ছে ২০০৭ সাল থেকে
লার্জ স্কেলে সার্ভিস নিশ্চিত করতে যতগুলো ষ্টেন্ডার্ড দরকার বিবাহবিডি তার সবগুলোই পুরন করে –
এরমধ্যে – সার্বোক্ষনিক অনলাইন সেবা, কাষ্টমার সার্ভিস, কল রেকর্ড, সার্ভিস কোয়ালিটি কন্টোল, সার্ভিস কিউ সি, ক্লাইন্ট লগ ম্যানেজমেন্ট অন্যতম।

এক্ষেত্রে বিবাহবিডি দুই ভাবে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করে থাকে যেমনঃ
১) সেলফ সার্ভিস  ২) এসিষ্টেন্সী সার্ভিস

সেলফ সার্ভিসঃ
বিবাহবিডির সেলফ সার্ভিসে একজন ইউজার নিজেই বিবাহবিডিওয়েবসাইটে লগইন করে অসংখ্য প্রোফাইল থেকে তার পছন্দের প্রোফাইলগুলো বাছাই করে নিজেরাই পাত্র/পাত্রী বা অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে থাকেন।

এসিষ্টেন্সী সার্ভিসঃ
এসিষ্টেন্স সার্ভিসে একজন ইউজারকে বিবাহবিডি লিখিত চুক্তি অনুযায়ী, ১ বছর মেয়াদী ম্যাচমেকিং প্যাকেজের আওতায়, গ্রাহকের পার্টনার প্রেফারেন্স অনুযায়ী রেগুলার প্রোফাইল পাঠায়, দুপক্ষের পছন্দ ম্যাচ হলে, বিবাহবিডি মিটিং এর আয়োজন করে। এই সেবার আওতায় একজন ইউজার চাইলে নিজেও অনলাইনে সিভি দেখতে পারেন আবার অফলাইনে থেকেও সেবা নিতে পারেন।

কাষ্টমার সাপোর্টঃ
বিবাহবিডি বছরে ৩৬৫ দিনই সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০:৩০ পর্যন্ত কাষ্টমার সার্ভিস নিশ্চিত করে।তাই নন ষ্টপ কাষ্টমার সার্ভিস নিয়ে আপনাকে কোন সমস্যায় পড়তে হবে না।

তথ্যের গ্রহন যোগ্যতাঃ
বাংলাদেশের একমাত্র ম্যাট্রিমনিয়াল সার্ভিস পোর্টাল বিবাহবিডির-ই, ন্যাশনাল সার্ভারের সাথে সরাসরি এন আই ডি যাচাই করার সক্ষমতা রয়েছে। তাই অযাচিত কোন প্রোফাইল বিবাহবিডিতে একটিভ হয়না। তাই –
 
একটি প্রোফাইলের এন আইডি যাচাই শেষে কেন্ডিডিয়েট ও লিগ্যাল গার্ডিয়ানের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হবার পরই বিবাহবিডি একজন গ্রাহককে সেবার আওতায় সংযুক্ত করে।

বিবাহবিডি বিশ্বাস করে যথাযথ তথ্যের গ্রহনযোগ্যতা্র পরই দুটি পরিবার বিবাহের সম্পর্কে আবদ্ধ আবদ্ধ হবার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

ম্যাট্রিমনি সার্ভিসের পাশাপাশি বিবাহবিডি নিশ্চিত করে আরো কিছু এডিশনাল সার্ভিস এর মধ্যে মট্রিমনিয়াল ইনভেষ্টিগেশন সার্ভিস অন্যতম –

দুটি পরিবারের আত্মীয়তা হবার পূর্বে –

একটি পরিবার সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ খবর নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়, এক্ষেত্রে বিবাহবিডি দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের ইনভেষ্টিগেটর দিয়ে – সম্পূর্ন গোপনীয়তা বজায় রেখে,  পাত্র/পাত্রীর কর্মস্থল, প্রেজেন্ট ও পার্মানেন্ট এড্রেস হতে যথাযথ পারিবারিক ও ব্যক্তিগত তথ্য অনুসন্ধান সেবা নিশ্চিত করে।

সম্মানিত পাঠক,
বিবাহবিডি বাংলাদেশের লার্জেষ্ট ম্যাটিমনিয়াল পোর্টাল, আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকেই সেবা গ্রহন করুন না কেনো – ভালো ভাবে সেই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে তারপর সেবা গ্রহন করুন। ভালো থাকুন, সর্বদা সচেতন থাকুন।

শুভেচ্ছান্তে –
মার্গারেট লীনা দেশাই
ম্যারেজ কনসালটেন্ট, বিবাহবিডি ডট কম

ফোনঃ +88 01922115555 (হোয়াটসঅ্যাপ)

শর্ত : বিয়ের পর বউ চাকরি করতে পারবে না

বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজা হচ্ছে। আধুনিক প্রতিষ্ঠিত ছেলেটি চান ভালো মেয়ে, সুন্দর, বনেদি পরিবার ও শিক্ষিত। আর মেয়েটি যদি মেধাবী হন, তা হলে তো ষোলোকলা পূর্ণ। তবে শর্ত একটি, বিয়ের পর বাড়ির বউ চাকরি করতে পারবে না। আধুনিকতার মুখোশের আড়ালে এমন সংকীর্ণতা অনেক পাত্র ও তাঁর পরিবারের মধ্যে দেখা যায়। কর্মক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতায় সফল মেয়েটি অনেক সময় চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন। পরিবারের কথা ভেবে অনাকাঙ্ক্ষিত অশান্তি এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত মেয়েরা নেন। বিয়ের পর স্বামী চান না বলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকেন অনেকেই। স্বামী বা শ্বশুরবাড়িকে খুশি করলেও নিজের ভেতরে গুমরে কেঁদে মরেন তাঁরা। নারীর ক্ষমতায়ন, আধুনিকতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার কথা কপচানো অনেক পুরুষই বাস্তবে কর্মজীবী স্ত্রী পছন্দ করেন না।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অরিনের বিয়ের কথা চলছে। একজনের সঙ্গে বিয়ের পাকা কথা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিয়েটা হয়নি। রুচিশীল শিক্ষিত ছেলেটিকে অরিনের ভালো লেগেছিল। কিন্তু বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত করার আগে ছেলেটি শর্ত দিয়ে বসলেন—বিয়ের আগেই অরিনকে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। কেননা, তাঁর বউ চাকরি করলে লোকে নাকি ভাববে, ভরণ-পোষণ দিতে পারছেন না। এমন হাস্যকর যুক্তি মেনে না নিতে পারায় বিয়েটা শেষ পর্যন্ত ভেঙে গেল। এ বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় নাকি এখন অনেক বিয়ের কথাই বেশি দূর এগোচ্ছে না। হতাশ হয়ে অরিনের মা-বাবা মনে করেন, এই সামান্য শর্ত মানলে কী এমন ক্ষতি হতো!বিয়ের পর চাকরি ও সংসার কি একসঙ্গে সামলাতে পারবে? সন্তান হলে তাকে কাজের লোকের কাছে বড় হতে হবে। সারা দিন কাজ শেষে বউ বাড়ি ফিরবে। তখন পরিবারকে সময় দিতে চাইবে না। আর চাকরি করলে বউ বশে থাকে না। নিজের স্ত্রী চাকরি করার বিপক্ষে এসব যুক্তি দিয়েছেন বেশ কয়েকজন ছেলে। তাঁদের কেউ কেউ মনে করেন, ভালো মেয়েরা চাকরি করেন না।

ছেলেদের এসব যুক্তির সঙ্গে মেয়েরা কি একমত? ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন হুমায়রা (ছদ্মনাম)। তিনি বলেন, ‘বিয়ের পর আমি চাকরি ছেড়ে দেব। আমার সন্তান একা বড় হবে, এটি চাই না। এতে আমার ব্যক্তিস্বাধীনতা থাকবে না কিংবা ব্যক্তিত্বে প্রভাব পড়বে, এমনটি মনে করি না। সুন্দরভাবে সংসার করাও একটি শিল্প।’

তা হলে এত দূর পড়াশোনা করার কোনো মূল্যই থাকবে না! বিয়ে নামের সামাজিক বন্ধন স্বপ্ন পূরণে বাধা দেবে, এটি মানতে পারেন না নৌশিন। তিনি মনে করেন, ভালো বোঝাপড়া থাকলে সংসার ও চাকরি—দুটোই সামলানো সম্ভব। এখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই ছাড় দিতে হবে। পরস্পরকে সহনশীল হলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আর যে ছেলে কোনো মেয়ের স্বপ্ন ও কাজকে শ্রদ্ধা না করবে, তিনি স্বামী হিসেবে কতটা ভালো হবেন, এ নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। হুমায়রা আর নৌশিনের বাইরেও আছেন অনেকে। তাঁদের মতে, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর সেটা নিতে হবে মেয়েটিকেই। মেয়েটি যদি সবকিছু ঠিকঠাক সামলাতে পারে তা হলে সমস্যা কিসের!

অনেক সময় মেয়ের অভিভাবকেরাও চান, এই সামান্য ছাড় দিলে কী হয়? চাকরির জন্য সংসার টিকবে না, এটি তাঁরা মেনে নিতে পারেন না। ফলে মেয়ের মতামত গুরুত্ব পায় না তাঁদের কাছে। ব্যতিক্রমও আছেন কেউ কেউ। সরকারি কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের তিন মেয়েই কর্মজীবী। বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের বিয়ের কথা চলছে। তিনি ভাবতেও পারেন না, তাঁর মেয়েরা কখনো চাকরি ছেড়ে দেবেন। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মা-বাবা পাশে থাকলে মেয়েরা সব পারে। আমার তিন মেয়ে চাকরি করে। এটি কত বড় গর্বের, তা বোঝানো যাবে না। পাত্রপক্ষ কিছু বলার আগেই বড় দুই মেয়ের বিয়ের সময় আমি উল্টো শর্ত দিয়েছিলাম, বিয়ের পর মেয়েকে চাকরি করতে দিতে হবে।’

অভিভাবকদের বুঝতে হবে, মেয়ে স্বাবলম্বী হলে ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন। হতেই পারে বিয়ের পর স্বামীকে কোনো কারণে সাহায্য করতে হলো। তার চেয়ে বড় কথা, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী ঘরে বসে না থেকে কাজ করলে পরিবার থেকে দেশ—সবার জন্যই ভালো। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে ছেলেদেরই। চাকরিজীবী স্ত্রীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে। শুধু মুখে মুখে আধুনিক না হয়ে কাজেও দেখাতে হবে।

রাতারাতি সবার মানসিকতার পরিবর্তন হবে, এমনটা আশা করা ঠিক নয়। সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তনও জরুরি। নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার করতে হলে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। তাঁর সঙ্গে একমত বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। তিনি জানান, ছেলেদের এই মনোভাব নারীর জন্য ইতিবাচক নয়; বরং বিবাহিত জীবনেও অনেকখানি ঝুঁকি রয়ে যায়।বন্ধুত্ব থেকে বিয়ে হলেও অনেক সময় মেয়েদের এসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতাবোধ অন্যতম একটি কারণ। বিয়ের পর সন্তানের মা হওয়ার পর বাড়িতে কোনো লোক না থাকলে, অফিসে শিশু দিবাযত্নকেন্দ্র না থাকলে তখন সাধারণভাবে মাকেই চাকরি ছাড়ার কথা বলে সবাই।ফলে এ ধরনের পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, সেই পরিবেশ বাড়ির সদস্যদের বা প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে।

-তৌহিদা শিরোপা