fbpx

হিন্দু পাত্রপাত্রীর খোঁজ । বিবাহবিডি

সম্ভ্রান্ত ও উচ্চ শিক্ষিত বাংলাদেশী হিন্দু পাত্রপাত্রীর খোঁজ পেতে বিবাহ বিডি’র রয়েছে সমৃদ্ধ ডাটাবেইজ।

পরিবারের প্রিয় সদস্যটির জন্য উপযুক্ত হিন্দু পাত্রপাত্রীর খোঁজ না পাওয়ায় কারনে
বিয়ের ব্যাপারে যদি সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে থাকেন –
তবে আপনার জন্যই অনলাইন বেইজ ম্যাট্রিমনিয়াল সার্ভিস বিবাহ বিডি ডট কম

ঘরে বসেই পাত্র পাত্রীর খোঁজ অনলাইনে

চাহিদা অনুযায়ী পাত্র পাত্রীদের ছবি সহ বায়োডাটা দেখে পাত্র পাত্রী বা অভিভাবকের সাথে সরাসরি নিজেরাই যোগাযোগ করতে নিশ্চিন্তে প্রোফাইল করুন।

বিবাহবিডি ডট কম, দীর্ঘ ২০০৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশী পরিবারগুলোকে অনলাইন / অফলাইন সেবা নিশ্চিত করে আসছে।

হিন্দুধর্মাবলম্বী পাত্রপাত্রী

যে ধরনের প্রোফাইল পাবেনঃ
১৮৪ টি প্রফেশন ক্যাটাগরীর, যেকোন শিক্ষাগত যোগ্যতার, যেকোন  গোত্র কিংবা কাষ্টের, হিন্দু পাত্রপাত্রীর খোঁজ পাওয়া যাবে –

ব্রাহ্মণ পাত্র পাত্রী । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
ভট্ট/ভট্টাচার্য্য, মুখোপাধ্যায়/মুখার্জী, বন্দ্যোপাধ্যায়/ব্যানার্জী, গঙ্গোপাধ্যায়/গাঙ্গুলী, চট্টোপাধ্যায়/চ্যাটার্জী, উপাধ্যায়

গোস্বামী, চক্রবর্তী, লাহিড়ী, মিশ্র, মৈত্র, বাগচী, সান্যাল, ভাদুড়ী, ঘোষাল, তেওয়ারি/ত্রিবেদী, মৌলিক, কাঞ্জিলাল, শাস্ত্রী, আচার্য্য, শর্মা ।

বণিক পাত্র পাত্রী । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
ধর, দ্ত্ত, মন্ডল/মণ্ডল, দে, শীল, নন্দী, মল্লিক, আঢ্য, কুন্ডু, পোদ্দার, বসাক, সাহা, বণিক, বড়াল, সেন, লাহা, রাহা

কায়স্থ  পাত্র পাত্রী । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
দেব, চাকী, কর, মিত্র, নন্দী, দে, ধর, দত্ত, গুহ, পাইন, বসু/বোস, ঘোষ, বিশ্বাস, মণ্ডল/মন্ডল, উকিল, মল্লিক, পাল, ভঞ্জ, মজুমদার

সিংহ, চৌধুরী, সরকার, করণ, রায়, সুর, চন্দ, কুন্ডু, আইচ, দাস

মাহিষ্য পাত্র পাত্রী । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
দাস, বিশ্বাস, মন্ডল/মণ্ডল, সিংহ, চৌধুরী, অধিকারী, গোস্বামী, কবিরাজ, ওঝা, উকিল, পুরকায়স্থ, তরফদার, আদক, সাঁতরা, ভৌমিক, প্রামাণিক

সরকার, রায়, মজুমদার, মল্লিক, মাইতি, জানা, বেরা, ধাড়া, গিরি, মান্না, দিন্দা, কারক, সামন্ত, হাজরা

ভূ-স্বামী পাত্র পাত্রী । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
মুন্সী, মণ্ডল, চাকলাদার, তালুকদার, রায় বাহাদুর, চৌধুরী, ঠাকুর, প্রধান, মল্লিক, রায়চৌধুরী, দস্তিদার, খাস্তগীর, সরকার, বর্ধন, মহলানবীশ, মজুমদার, দেওয়ান

নমঃশূদ্র বা নমঃস্বেজ । পদবীসমূহ নিম্নরুপঃ
ভক্ত, দাস, বাসফোর, মল্লবর্মণ, বর্মণ/বর্মা, মুচি/চর্মকার, ঘোষ, মোদক, শীল, দেববর্মা, হালদার, বিশ্বাস, রাজবংশী

পেশা হিসেবে পদবীঃ
কানুনগো, কারিগর, কর্মকার, ঘটক, গোঁসাই, পালাকার, নাগ (শাঁখারী), ভাঁড়, শোলাকার, মালাকার, ঘরামী, মিস্ত্রী, সূত্রধর/সুতার, পাঁটিকার

বাড়ৈ, হাজরা, হালদার, মাঝি, মালী, পাখাধরা, কার্য্যী, দেওরী, ওঝা, পটুয়া, পাটোয়ারি, ডাকুয়া, পাল, বৈদ্য, গুণ, পাজা, গদগদ,বালা জলদাস জলধর, বড়াল, সাহানী / সোহানী, বর, খাঁ, রং, সাউদ, গায়েন, ব্রজবাসী, মহন্ত

যেকোন বয়সের অবিবাহিত, ডিভোর্স, বিধবা, বিপত্নীক, বাংলাদেশের যেকোন জেলার অধিবাসী, এবং বিশ্বের প্রায় ৮০ টি দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী। 

তাছাড়াও বিবাহ বিডিতে রয়েছে কিছু ষ্পেশাল সার্চ ক্যাটাগরী যেমন
– ডিসেবেলীটিস সার্চ (শারীরিক বা স্বাস্থ্যগত প্রতিবন্ধকতা আছে এমন)
– সিঙ্গেল ফাদার / সিঙ্গেল মাদার  সার্চ
( ডিভোর্স কিংবা বিধবা/বিপত্নীক ও সন্তান আছে এমন )।

কেন বিবাহবিডিতে পাত্র/পাত্রী খুঁজবেনঃ
জীবন একটাই  আর একটি সুখী ও সুন্দর জীবনের জন্য চাই একজন সুন্দর মনের মানুষ। অসংখ্য প্রোফাইল দেখে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে নিজেই বিবাহবিডিতে প্রোফাইল করুন

নিজেই খুঁজুন এবং নিজেরাই পাত্র/পাত্রী কিংবা তাদের অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।  এতে লোক জানাজানির ঝামেলা যেমন নেই তেমনি খরচ ও অনেক কম।

যারা দাম্পত্য জীবনে সেপারেটেড আছেন কিংবা ইতিমধ্যে ডিভোর্স নিয়েছেন, তাদের জন্য বিবাহবিডিতে রয়েছে –

ম্যারিটাল ষ্টেটাস সার্চ ও ইজি সার্চ  অপশন –
যেখানে খুব সহজেই ডিভোর্স, বিধবা/বিপত্নীক, সেপারেটেড সহ [সিংগেল ফাদার] , [সিংগেল মাদার] প্রোফাইল গুলো ক্যাটাগরী অনুযায়ি সুবিন্যস্ত রয়েছে।

আপনি যদি বিয়ের ব্যাপারে সিরিয়াস হয়ে থাকেন তবে রেজিষ্ট্রেশন করুন। 
অথবা বিস্তারিত জানতেঃ

বিবাহবিডি ডট কম
HOUSE # 02 (3rd Floor) BLOCK: G,
SOUTH BANASREE MAIN ROAD, DHAKA-1219

Hotline: +88 01922 115555, 88 01944 115555, 88 019 71 24 2242
Customer Care: + (88) 0961 22 11 555 Office: 02-4729-1212

Hindu Marriage Media | Bibahabd

Bibahabd is a Best Hindu marriage media or Bangladesh Hindu Matrimony service provider –

Who provides online and offline matchmaking service to find a suitable partner / Bride Groom for marital relationship.

Login to find Bibahabd Hindu Marriage Media for Hindu Never Married, Divorce, widowed Bride Groom. You will find Barisal, Chittagong, Dhaka, Khulna, Mymensingh, Rajshahi, Rangpur, and Sylhet or

– NRB Muslim, Hindu, Buddhist, Christian Bride Groom for Arranged Marriage. The categories set down by colonial administrators persist today.

There are now more than 3,000 Hindu castes in all over the world, and an even greater number of sub-castes.

Here are six of the most significant:

Best Hindu marriage media in Bangladesh | Bangladesh Hindu Matrimony
  • Hindu Brahmins Bride Groom
    The highest of all the castes, and traditionally priests or teachers, Brahmins make up a small part of the population. The British colonial authorities gave Brahmins influential clerical jobs. They now dominate the key positions in science, business and government.
  • Hindu Kshatriyas Bride Groom
    Meaning “protector[s] of the gentle people,” Kshatriyas were traditionally the military class. They are now predominantly a land-owning caste and are diminished in power.
  • Hindu Vaishyas Bride Groom : A caste that is influential in trade, the Vaishyas were traditionally cattle-herders, agriculturalists, artisans and merchants. They are now associated with the middle-class and social advancement and make up around one fifth of Bangladeshis Hindu population.
  • Hindu Shudras Bride Groom : The lowest of the four ancient social classes, or Varnas-, the Shudras were considered so low as to be prohibited from the study of the “Vedas,” the earliest texts of sacred literature. Shudras are now con-sidered to be a “scheduled caste”
  • Hindu Adivasi Bride Groom : The term is used to refer to a collection of ethnic and tribal groups regarded as Bangladeshi’s aboriginal Hindu people. More than 95 per cent of Adivasis live in rural areas. Sixty-eight per cent do not reach high school.
  • Hindu Dalits Bride Groom : The word “Dalit,” derived from Sanskrit, means “ground,” “suppressed” or “crushed.” Considered the lowliest people of all the castes, Dalits are typically associated with Occupations regarded as ritually impure, such as those involving waste or carcasses. They are a people traditionally regarded as “untouchable.”

The platform Bibahabd allows members to search, communicate, interact and finally find the right person for them or their loved ones.

We at Bibahabd believe that marriages are made in heaven and we only intend in realizing those dreams. It is a site for the generation of today and the future.

Bibahabd is founded on the main objective to provide its members with a secured environment and expanded opportunities in finding their potential life partners thus helping them in making the right choice.

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শাস্ত্রীয় বিয়ের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার জন্য হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এতে বিবাহ নিবন্ধনের বিষয়টি ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের আবেদন ও পদ্ধতি:
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শাস্ত্রীয়ভাবে বিয়ের পর, বিয়ে যে স্থানে হবে, সেই এলাকার নিবন্ধকের কাছে নিবন্ধন করতে হবে। বর-কনে যৌথ স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে নিবন্ধনের জন্য লিখিত আবেদন করবে। আবেদনের সঙ্গে বর-কনের পাসপোর্ট আকারের বা স্বামী-স্ত্রীর যৌথ ছবি সংযুক্ত করতে হবে। তবে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের জন্য হিন্দু পুরুষের বয়স ২১ বছর এবং হিন্দু মেয়ের বয়স ১৮ বছর হতে হবে। অন্য কোন আইনে যাই থাকুক না কেন, ২১ বছরের কম বয়সী কোনো হিন্দু পুরুষ বা ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো হিন্দু মেয়ে বিয়ে করলে তা নিবন্ধনযোগ্য হবে না। অতএব, আবেদনের সময় বয়স প্রমান করে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সাথে রাখতে হবে।

নিবন্ধক কোনো আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে আবেদনকারী প্রত্যাখ্যানের ৩০ দিনের মধ্যে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিল সম্পর্কে জেলা রেজিস্ট্রারের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ফি: বিধিমালা অনুযায়ী প্রতি বিয়েতে নিবন্ধন ফি লাগবে এক হাজার টাকা। এই ফি পরিশোধ করবে বরপক্ষ। বিয়ে-সংক্রান্ত নথির হুবহু নকল পাওয়ার জন্য ১০০ টাকা ফি দিতে হবে।

হিন্দু  বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন জানতে ক্লিক করুন
http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1105

হিন্দু বিবাহ ও বিবাহ-বিচ্ছেদ: কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তরঃ

সামাজিক নানা ধরণের সমস্যায় আমরা বিপর্যস্ত। এর মধ্যে বিবাহ সংক্রান্ত সমস্যা ও বিবাহ-বিচ্ছেদ সুস্থ সমাজ চেতনার পথে অন্যতম বাধা। প্রকৃত আইন না জানার জন্য অনেকেই এই সমস্যায় খুবই বিব্রত হয়ে পড়েন। এই বিভ্রান্তি দূর করতে হিন্দু বিবাহ ও বিবাহের বিচ্ছেদ নিয়ে কিছু আইনী পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করলাম।

প্রশ্ন: হিন্দু বিবাহ আইন কবে পাশ হল?
উত্তর: ১৯৫৫ সালের মে মাসে এই আইন চালু হয় এবং সংশোধিত হয় ২০১২ ।

প্রশ্ন: সাধারণত এই আইন কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর: হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, ব্রাহ্ম ও আর্য সমাজভুক্ত সম্প্রদায়ের মানুষের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য।

প্রশ্ন: হিন্দুমতে বিবাহ অনুষ্ঠানের কোনও অপরিহার্য অঙ্গ আছে কি?
উত্তর: বিবাহের জন্য প্রচলিত রীতিনীতি পালন করাটা আবশ্যক। সাধারণত হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী এই বিবাহের অনুষ্ঠান শুরু হয়; অগ্নিসাক্ষী রেখে সপ্তপদী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহ শেষ হয়।

প্রশ্ন: হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী বিয়ের দুপক্ষকেই (পাত্র ও পাত্রী) কি হিন্দু হতে হয়?
উত্তর: হ্যাঁ, হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী উভয় পক্ষকেই, অর্থাত্ পাত্র ও পাত্রীকে অবশ্যই হিন্দু ধর্মাবলম্বী হতে হয়।

প্রশ্ন: হিন্দু মতে বিবাহের জন্য রেজিস্ট্রি (Registry) করা কি অবশ্যই প্রয়োজন?
উত্তর: না, রেজিস্ট্রি না হলেও বিবাহ অসিদ্ধ হয় না। তবে রেজিস্ট্রেশনটা হয়ে থাকলে পরে অনেক ক্ষেত্রে তা কাজে লাগে। যেমন, ভারতবর্ষের বাইরে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক স্থাপনের জন্য রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের দরকার হয়। হিন্দুমতে বিবাহটি রেজিস্ট্রি করার উদ্দেশ্য হল, হিন্দুমতে যে বিবাহটা হয়েছে – তা পরে প্রমাণ করার জন্য নথিভুক্ত করা।

প্রশ্ন: যখন দুপক্ষই হিন্দু-ধর্মাবলম্বী হয়, সেক্ষেত্রে অন্য কোনও আইন অনুযায়ী কি বিবাহ সম্ভব?
উত্তর: স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট অনুযায়ী এই বিবাহ হতে পারে। আবার হিন্দুমতে বিবাহটা স্পেশাল ম্যারেজ এক্টের আইনে রেজিস্ট্রি করা যেতে পারে। তবে এই স্পেশাল ম্যারেজ এক্টে বিবাহ করতে হলে বিবাহের অন্তত ২ মাস আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত বিবাহ-রেজিস্ট্রারের কাছে নির্দিষ্ট একটি ফর্ম ভর্তি করে আবেদনপত্র সহ সেটি জমা করতে হয়।

প্রশ্ন: হিন্দুমতে বিবাহ করতে বয়সের কি কিছু বিধি নিষেধ আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, এই আইনে সুস্পষ্ট ভাবে বলা আছে যে, পুরুষদের ক্ষেত্রে বিবাহযোগ্য বয়স হল একুশ (২১) বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে আঠারো (১৮) বছর। যেহেতু এই বয়সে পুরুষ ও মহিলা সাবালক ও সাবালিকা হয়ে যাচ্ছেন, তাই বিবাহের জন্য ওঁদের বাবা-মা বা অভিভাবকদের অনুমতির কোনও প্রয়োজন নেই।

প্রশ্ন: হিন্দুমতে বিবাহের পরে যদি স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মতের মিল না হয়, কিংবা একসঙ্গে তাঁদের পক্ষে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করা সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে আইনত তাঁরা কি করতে পারেন?
উত্তর: যদি এমন হয় যে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতের মিল হচ্ছে না বা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার অসুবিধা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে তাঁরা জুডিশিয়াল সেপারেশনের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন। আদালত ওঁদের এই আবেদন যথোপযুক্ত ও যুক্তিসংগত মনে করলে, বিবাহ-বিচ্ছেদ না করেও আদালতের মাধ্যমে দুপক্ষের আলাদা হয়ে থাকার বিধান আছে। অনেক সময়ে দেখা যায় যে, দু-পক্ষ আলাদা থাকার ফলে নিজেদের ভুলত্রুটিগুলো বুঝতে পেরে আবার একসাথে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু যদি দেখা যায় যে, এক বছর আলাদা থাকা সত্বেও স্বামী-স্ত্রীর মতপার্থক্য কমছে না ও তার মীমাংসার কোনও সম্ভাবনা নেই, সে ক্ষেত্রে যে-কোনও পক্ষ আদালতের কাছে বিবাহ-বিচ্ছেদের (ডিভোর্স) জন্য আবেদন করতে পারেন।

প্রশ্ন: জুডিশিয়াল সেপারেশন হয়ে যাবার পর কি কোনও পক্ষ আবার বিবাহ করতে পারেন?
উত্তর: জুডিশিয়াল সেপারেশন চলাকালীন কেউ বিবাহ করতে পারেন না, কারণ আইনের চোখে তখনও তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী। সেপারেশন হবার পর এক বছরের মধ্যেও যদি দুপক্ষের মিল না হয়, তাহলে আদালতের কাছে বিবাহ-বিচ্ছেদের (ডিভোর্স) জন্য আবেদন করা যায়। আদালত তা মঞ্জুর করলে, তার পর বিবাহ করার কোনও বাধা থাকে না।

প্রশ্ন: আইনের ভাষায় অসিদ্ধ বিবাহ বলতে কি বোঝায়?
উত্তর : যে সব বিবাহ আইনানুযায়ী হয় নি, তাই অসিদ্ধ। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, যদি পাত্র বা পাত্রীর মধ্যে কেউ বিবাহিত হন এবং তাঁর স্বামী বা স্ত্রী জীবিত অবস্থায় থাকেন, তাহলে তার নতুন বিবাহটা অসিদ্ধ বলে গণ্য করা হবে। আরেকটা উদাহরণ, সম্পর্কের বিচারে পাত্র ও পাত্রী যদি সপিণ্ড হন বা অন্য কোনও নিষিদ্ধ সম্পর্কের (প্রহিবিটেড রিলেশনশিপ) আওতায় পরেন, তাহলে সেই বিয়ে অসিদ্ধ বলে গণ্য করা হবে।

প্রশ্ন: সপিণ্ড ও নিষিদ্ধ সম্বন্ধ সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু বলুন।
উত্তর : নিষিদ্ধ সম্পর্ক বলতে বোঝায় মামা, পিসি, বিমাতা, ঠাকুমা, ইত্যাদি। এই রকমের আত্মীয়দের মধ্যে যদি বিবাহ হয়, তাহলে তা অসিদ্ধ হবে। সপিণ্ডর সাধারণ অর্থ হল যেক্ষেত্রে দুজনে একই পূর্ব-পুরুষকে পিণ্ড দান করেন। তবে ঠিক কারা সপিণ্ড সম্পর্কের মধ্যে পড়েন আইনে সেটি পরিষ্কার ভাবে উল্লেখিত হয়েছে।

প্রশ্ন: বিবাহ-বিচ্ছেদের কতদিন পরে আবার বিবাহ করা যায়?
উত্তর :সাধারণভাবে বিবাহ-বিচ্ছেদ মঞ্জুর হবার পর আপীল দায়ের করার সময় পেরিয়ে গেলেই যে কোনও পক্ষ আবার বিবাহ করতে পারেন।

প্রশ্ন: স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়ে গেলে কি তাঁরা আবার নতুন করে বিয়ে করে স্বামী-স্ত্রী হতে পারেন?
উত্তর : হ্যাঁ, পারেন।

প্রশ্ন: বিবাহ বিচ্ছেদের পর মহিলারা বা সন্তানরা কি স্বামীর পদবী ব্যবহার করতে পারেন?
উত্তর : বিবাহ-বিচ্ছেদকারিণী মহিলা চাইলে তাঁর বাবার পদবী ব্যবহার করতে পারেন। মহিলার সন্তানরা তাদের বাবার পদবী ব্যবহার করতে পারবে।

প্রশ্ন: যদি কোনও স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদ চান, সেক্ষেত্রে তিনি কি তাঁর স্ত্রীর ভরণপোষণ করতে বা তাঁকে খোরপোষ দিতে বাধ্য?
উত্তর : স্ত্রীর নিজস্ব রোজগার না থাকলে, আদালতে আবেদন করে তিনি খোরপোষ পেতে পারেন। কিন্তু স্ত্রীর পর্যাপ্ত পরিমানে নিজস্ব রোজাগার থাকলে কিংবা তিনি আইনের চোখে দুশ্চরিত্রা বলে প্রমাণিত হলে, স্বামী ভরণপোষণ দিতে বাধ্য হবেন না। একই আইন পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অর্থাত্, স্বামীর রোজগার না থাকলে, তিনি তাঁর রোজগেরে স্ত্রীর কাছ থেকে ভরণপোষণের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন।

প্রশ্ন: স্বামী ও স্ত্রীর যদি শিশু সন্তান এবং সাবালক সন্তান থাকে, সেক্ষেত্রে বিবাহ-বিচ্ছেদের পর সন্তানরা কার কাছে থাকবে?
উত্তর : বাচ্চারা বাবা অথবা মা – যে-কোনও একজনের কাছে থাকতে পারে। এ ব্যাপারে দু-পক্ষের মধ্যে যদি মতান্তর হয়, তাহলে আদালত এই ব্যাপারে রায় দেবে। আইনের বিধানে সাধারণত ছয় বছর পর্যন্ত বাচ্চারা মায়ের কাছে থাকতে পারে। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে শিশু-সন্তানদের রক্ষণাবেক্ষণের ভার বাবাকেও দেওয়া হয়। ক্ষেত্রবিশেষ বলতে মায়ের পুনর্বিবাহ-ঘটিত সমস্যা বা তাঁর চরিত্রহীনতা, অথবা মাতৃগৃহের পরিবেশ শিশুদের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচিত হওয়া, ইত্যাদি, বোঝাচ্ছে।

প্রশ্ন: যাদি সন্তানরা মায়ের কাছে থাকেন, সেক্ষেত্রে বাবা কি বাচ্চাদের ভরণপোষণের জন্য টাকা দিতে বাধ্য? দিতে হলে, কতদিন পর্যন্ত তিনি তা দেবেন?
উত্তর : হ্যাঁ, বাবা সন্তানদের জন্য খরচ দিতে বাধ্য। সাধারণত ছেলেদের ক্ষেত্রে এই ভরণপোষণ চলবে তারা সাবালক না হওয়া পর্যন্ত। মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত।

প্রশ্ন: বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা কি কি কারণে করা যায়?
উত্তর: অনেক কারণেই বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য মামলা করা যায়। যেমন, শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের দুর্ব্যবহার অভিযোগ থাকলে, অথবা দুবছরের বেশি অন্য পক্ষ কর্তৃক পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলে, বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য মামলা আনা যেতে পারে। তবে এ দুটি ছাড়াও আরও অনেক কারণের ভিত্তিতে বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা আনা যেতে পারে।

প্রশ্ন: বিবাহ-বিচ্ছেদ মামলা কোন আদালতে আনা যায়?
উত্তর: বিবাহ-বিচ্ছেদের সংক্রান্ত মামলা ডিস্ট্রিক্ট জজ-এর কাছে দায়ের করা যায়। বর্তমানে পারিবারিক আদালতে এই ধরণের মামলা দায়ের করতে হয়।

প্রশ্ন: মিউচিয়াল কনসেণ্ট বলতে কি বোঝায়?
উত্তর : যখন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মতের এতো অমিল যে, তাঁদের পক্ষে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন দুজনে মিলিত ভাবে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য। তবে বিবাহের এক বছরের মধ্যে এই আবেদন করা যায় না।

হিন্দু বিবাহ রেজিষ্টারঃ
দেশের প্রত্যেকটি উপজেলা / থানায় সরকার একজন করে হিন্দু বিবাহ রেজিষ্টার নিযুক্ত করেছেন।  যাদের তথ্য জেলা প্রশাসকের ওয়েব সাইটে রাখা হচ্ছে।  
22

ভালো স্বামী হতে হলে…

কথায় আছে পুরুষ দুই প্রকার। জীবিত ও বিবাহিত। এই কথাটির সঙ্গে আমার দ্বিমত আছে। কেননা বিয়ের পরে স্বামীরা কি মরে যায়? নাকি নতুন জীবন পায়? আমার তো মনে হয়, পুরুষের আসল জীবন শুরু হয় বিয়ের পরে। একটি সুন্দর-সুখী এবং গোছানো জীবন হতে পারে যদি তিনি উপযুক্ত কাউকে জীবনসঙ্গী করতে পারেন। তাই বিয়ে করা মানে একজন পুরুষের ‘মৃত্যু’, এটা কোনোভাবেই সত্য নয়।

এখন আসি বিয়ের পরে কী করে ভালো স্বামী হওয়া যা —সে বিষয়ে । আমরা যেমন আশা করি একটা ভালো বউ পাওয়ার, তেমনি বউরাও তো আশা করেন ভালো স্বামী পাওয়ার। বিয়ের পরে বউয়ের কথা সব সময় শুনলে এবং বউয়ের কথায় ওঠাবসা করলেই কেবল ভালো স্বামী হওয়া যাবে, এ ধারণাও সঠিক নয়।ভালো স্বামী হওয়ার জন্য এমনটা হওয়ার দরকার নেই। কারণ, ভালো স্বামী হয়ে থাকার দীর্ঘ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আমার আছে। অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বউয়ের কথায় উঠবস করা মোটেই ভালো স্বামীর লক্ষণ নয়। এটা ‘গৃহপালিত’ স্বামী হওয়ার লক্ষণ। মজার ব্যাপার হলো, ভালো স্বামী হওয়া কিন্তু সহজ ব্যাপার না। এটার জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হয়। হা হা হা।

এখানে একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, বিয়ের পর স্ত্রী তাঁর সবকিছু ছেড়ে নতুন একটি পরিবারে যোগ দেন। তাঁর নিজের ঘর, বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন এমনকি প্রতিদিনের অভ্যাসও ত্যাগ করতে হয়। উল্টোদিকে নতুন বরকে কিছুই ছাড়তে হয় না। না পরিবার, না আত্মীয়স্বজন। তাই স্ত্রীর মানিয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার আছে। সে জন্য স্ত্রীর দিকে সবার আগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে স্বামীকেই।

শুধু তা-ই নয়, প্রথম দিকে সব ছেড়ে আসার কষ্টটা যেন সে টের না পায় এ জন্য তাকে মানসিক সহযোগিতাটুকু স্বামীকেই দিতে হবে। এখানেই শেষ নয়, স্বামীকে নিজের পরিবার দেখার পাশাপাশি স্ত্রীর বাবা-মার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে স্ত্রী খুশি হবে। আর শ্বশুর-শাশুড়ির দিকে খেয়াল রাখাটা স্বামীর জন্য এমন কঠিন বা দুঃসাধ্য কাজ না।

সংসার শুরু করার পর একজনকে আরেকজনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। শুধু স্বামী-স্ত্রী কেন, যেকোনো সস্পর্কের মধ্যে শ্রদ্ধা না থাকলে সমস্যা দেখা দেবেই। স্বামী-স্ত্রী মানেই একটা শ্রদ্ধাহীন সম্পর্ক, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই।

একই সঙ্গে সংসার পরিচালনার ক্ষেত্রে বউয়ের মতামত নেওয়াটা জরুরি। কারণ, সংসার চালানো সহজ ব্যাপার নয়। এটা যথেষ্ট শ্রমসাধ্য এবং কঠিন কাজ। আমরা যতই মেয়েদের বাড়ির কাজগুলো সহজ ভাবি তা আদতে সহজ নয়। আর কোনো কারণে যদি স্ত্রীর মতামত পছন্দ না হয় তাহলে তাঁকে বুঝিয়ে বলাই ভালো। আশা করছি বুঝিয়ে বললে যেকোনো স্ত্রীই বুঝবে। আমার স্ত্রীর মতো।

আর দিনের শেষে বা সপ্তাহে অথবা মাসে স্বামীর উচিত হবে একান্তে স্ত্রীকে কিছুটা সময় দেওয়া। এটি একেকজন একেকভাবে নিজের মতো করে দেবেন। এটা স্ত্রীর পাওনা কিন্তু! কারণ দিনের কাজ শেষে তিনিও আশা করেন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে একান্তে কিছুটা সময় কাটাতে। শুধু তা-ই নয়, আমি মনে করি মাসে বা বছরে অন্তত একবার হলেও স্ত্রী বা পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাইরে কোথায় ঘুরতে যাওয়া উচিত।আর হ্যাঁ, ঝগড়ার ব্যাপারে আমার দু-একটি কথা আছে। সুখী-সুন্দর দাম্পত্য জীবনের জন্য ঝগড়া খুব জরুরি।কারণ, ঝগড়া হলে সম্পর্কে ভালোবাসার মাত্রাটা বেড়ে যায়। ঝগড়ার পরে একে অপরের প্রতি টান তৈরি হয়। মোটকথা ভালোবাসা বেড়ে যায় অনেকখানি।

ভালো স্বামী হওয়ার জন্য এখন আমি দুটি টিপস দিই। একটি হলো, স্বামীদের ছাড় দেওয়ার মনমানসিকতা। এটা হতেই হবে, এটা করতেই হবে এ ধরনের চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। না হলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা দেখা দেবে। আরেকটা হলো ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে হবে। মানে সব ধরনের সম্পর্কের দিকে খেয়াল রেখে সমন্বয় করে চলতে হবে। বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে চললে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দেবে না।

পরিশেষে একটা প্রবাদ মনে করিয়ে দিই, ‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।’ প্রবাদটা ঠিক তবে এটাও সত্যি, যদি গুণবান পতি থাকে তাঁর সনে। অর্থাৎ শুধু একজনের গুণে একটা সংসার সুখের হয় না। স্বামীরও অবদান থাকতে হয়। একজন ভালো স্বামীর সেই অবদান রাখার গুণটি থাকেই।

লিখেছেনঃ হাবিবুল বাশার সুমন ক্রিকেটার
সূত্র  ঃ প্রথম আলো

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত

আমাদের দেশে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বিয়ে তাদের শাস্ত্রমতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম দেশ ভারত হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ও বিচ্ছেদসংক্রান্ত আইন বহু আগেই (১৯৫৫) প্রণীত হয়ে বলব আছে। এমনকি ভারতের একজন বিধবাও দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করতে পারেন। আমাদের দেশে হিন্দু বিবাহবিচ্ছেদ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন আইন প্রণীত না হওয়ায় আইনগতভাবে কোনো হিন্দু পুরুষ বা মহিলা বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন না এবং একজন বিধবাও আবার বিয়ে করতে পারেন না। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হলেও সারা জীবন ক্ষেত্রবিশেষে পৃথক বাসস্থানে অবস্থান করতেও বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন না। অনুরূপভাবে একজন যুবতী হিন্দু মহিলা তাঁর স্বামী রোগে-শোকে বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করলেও আবার বিয়ে করতে পারেন না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে প্রণীত হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন আইন (১৮৫৬) ভারতে আইন হিসেবে গৃহীত হলেও আমাদের দেশে আদৌ এ ব্যাপারে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি।

হিন্দু নারীদের বিয়েসংক্রান্ত প্রতারণা, বিয়ে-পরবর্তী দালিলিক প্রমাণ সৃষ্টির লক্ষ্যে ও সহজে হিন্দু নারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন হিন্দুধর্মাবলম্বীদের জন্য ঐচ্ছিক রেখে ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন-২০১২’ সংসদে পাস করা হয়। বিদেশ ভ্রমণ, অভিবাসন ইত্যাদি ক্ষেত্রেও বিবাহ নিবন্ধন-সম্পর্কিত দালিলিক প্রমাণ একটি অপরিহার্য বিষয়। ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৫ ধারার মাধ্যমে মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক এবং নিবন্ধন না করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মুসলিম শরিয়া আইন অনুসারে মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানো যায় এবং বিধবা মুসলিম নারীও আবার বিয়ে করতে পারেন।

কোনো কোনো হিন্দু ধর্মীয় নেতার মতে, হিন্দু বিয়ে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণে সাত পাকে বাঁধা বিধায় এ বিয়ের মাধ্যমে আত্মার সঙ্গে আত্মার, মাংসের সঙ্গে মাংসের ও অস্থিতে অস্থিতে মিলন ঘটায়। বিয়ের নিবন্ধন আইন প্রণীত হলে হিন্দু বিয়ের মূল ভিত্তি নষ্ট হবে বলেও তাঁদের ধারণা। নিবন্ধনের ফলে একজন হিন্দু মহিলার একজন হিন্দু পুরুষের সঙ্গে শুধু সম্পর্ক স্থাপিত হবে, স্বামীর অবর্তমানে স্বামীর পরিবারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকবে না—এমনটাই দাবি তাঁদের। অনেকেই এটাকে খোঁড়া যুক্তি হিসেবে উড়িয়ে দিতে চান। তাঁদের বক্তব্য হলো, বিবাহ নিবন্ধন হিন্দু বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান, রীতি-নীতিতে কোনোভাবেই খর্ব করবে না। বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে শুধু বিয়ে প্রমাণের জন্য একটি অতিরিক্ত দালিলিক প্রমাণ সৃষ্টি হবে।

আইনের ৬ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘হিন্দু ধর্ম, রীতি-নীতি ও আচার-অনুষ্ঠান অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পর ওই বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে, বিবাহের যেকোনো পক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।’ অনেক আইনজ্ঞ ও বিশিষ্টজনের মতে, কোনো আইন ঐচ্ছিক হতে পারে না, আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো আইনে বিধিবিধান প্রতিপালনের বাধ্যবাধকতা। তাঁদের মতে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হলে সাত পাক ঘোরা ও অন্যান্য আচার পালনে কোনো সমস্যা হবে না। গত ২৩ ডিসেম্বর প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন না থাকার কারণে কাননবালার বিড়ম্বনা তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ১৭ বছর আগে কাননবালাকে তাঁর দুই সন্তানসহ ফেলে রেখে তাঁর স্বামী চলে যান এবং দ্বিতীয় বিয়ে করেন। গাজীপুরের স্বামী পরিত্যক্ত কাননবালা এখন একজন আশ্রয়হীন ভাসমান নারী। কাননবালার দাবি, তাঁদের বিবাহের নিবন্ধনমূলক কোনো দালিলিক প্রমাণ না থাকায়ই তাঁর স্বামী তাঁকে এবং সন্তানদের অস্বীকার করার শক্তি পেয়েছেন। কাননবালা তাঁর জীবনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার দাবি তুলেছেন সরকারের কাছে। দেশের আর্থ-সামাজিক ধর্মীয় ও যুগের চাহিদার কারণে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে মনে করি।

Hindu Marriage Media, Brahman Marriage Media, Kshatriya Marriage Media, Chhettri Marriage Media, Vaisya Marriage Media, Sudra Marriage Media, Hindu

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার কিংবা প্রবাসী পাত্রপাত্রী খুঁজতে

বিবাহযোগ্য ছেলে মেয়ে ; চিন্তিত অভিভাবক।  পাত্র পাত্রীর খোঁজে চলে ফিসফিস গোচরে অগোচরে।  আত্মীয় পরিজন কিংবা পরিচিতদের মধ্যে চলে পাত্র পাত্রীর খুঁজার পালা। পাত্র পাত্রীর খুঁজ পেলেই চলে – ঢাক ঢোল পিটিয়ে পাত্র পাত্রীর দেখার আয়োজন, কোন কারনে যদি সমন্ধ ভেচতে যায় তখন যেন প্রতিবেশীরও আগ্রহ বেড়ে যায় অনেকগুন আর অস্থির অভিভাবকের প্রত্যহ জীবনে যোগ হয় আরো একটি দীর্ঘশ্বাস।

 

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে ট্রেডিশনাল এই পাত্র পাত্রীর দেখার সিষ্টেম মোটেও সুখের নয় আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের জন্য। আর তাই শিক্ষিত অনেক পরিবারের ছেলে মেয়েরাই এখন লগিন করছে বিবাহবিডি ডট কমে

কেন বিবাহবিডিতে পাত্র/পাত্রী খুঁজবেনঃ
আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ও পছন্দের প্রফেশনের অসংখ্য পাত্র/পাত্রী থেকে নিজের পছন্দের পাত্র/পাত্রী খুঁজার অধিকার অবশ্যই আপনার আছে। তো কেন মুখ বুঁজে বসে থাকবেন? জীবন একটায় আর একটি সুখী জীবনের জন্য চাই একজন সুন্দর মানুষ। তাই নিজেই বিবাহবিডিতে প্রোফাইল করুন, নিজেই খুঁজুন এবং নিজেরাই পাত্র/ পাত্রী কিংবা তার অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন। এতে লোক জানাজানি ঝামেলা যেমন নেই তেমনি খরচ ও কম।

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫  এ কল করুন ২৪/৭

নিচের এই স্ক্রীন শর্ট থেকে দেখে নিন বিবাহবিডিতে কোন প্রফেশনের কত জন পাত্র/পাত্রী আছে যারা কিনা হয়তো আপনার মতই একজনের অপেক্ষায় দিন গুনছে। সরাসরি লিংকে যেতে ক্লিক করুন।
যে সকল শিক্ষিত ছেলে মেয়ারা ভূল সঙ্গী নির্বাচন করে ইতি মধ্যে সেপারেটেড কিংবা ডিভোর্স নিয়েছেন, ঠিক তাদের মতই অনেক ছেলে মেয়ে ও আবার নতুন করে সুখী হতে বিবাহবিডিতে প্রোফাইল করেছেন আপনি চাইলেই তাদের প্রোফাইল দেখেও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

স্কীন শর্ট দেখুন ডিভোর্স/ সেপারেটেড কতজন ছেলে আপনার মতই একজনের অপেক্ষায় আছে
কিভাবে বিবাহবিডিতে রেজিষ্ট্রেশন করবেন –
আপনি যদি বিয়ের ব্যাপারে সিরিয়াস হয়ে থাকেন তবে নীচের লিংকে ক্লিক করে ফ্রী রেজিষ্ট্রেশন করুন

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫  এ কল করুন ২৪/৭

কোন কারনে রেজিষ্ট্রেশন করতে সমস্যায় পড়লে বিবাহবিডির কাষ্টমার সাপোর্ট আপনাকে ২৪/৭ দিনই হেল্প করার জন্য প্রস্তুত আছে আপনি ফোনে (০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫) তাদের সাহায্য নিতে পারেন।

আপনার রেজিষ্ট্রেশন টি শেষ হয়ে গেলে বিবাহবিডির একজন কাষ্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ আপনাকে ফোন করে আপনার রেজিষ্ট্রেশনের প্রদত্ত তথ্য গুলো ফোনে রিভিও করে আপনাকে ৩ দিনের জন্য বিবাহবিডিতে ফ্রী এক্সেস দিবে ও বিবাহবিডির সার্ভিস সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারনা দিবে। ৩ দিনের ফ্রী ট্রায়াল মেম্বারশীপে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী সব প্রোফাইল দেখে পছন্দের প্রোফাইল গুলোকে বাছাই করতে পারবেন। এবং পরবর্তীতে মেম্বারশীপ নিয়ে পাত্র কিংবা তার অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে ফোন করুন বিবাহবিডি ২৪/৭ কাষ্টমার সাপোর্ট : ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫