কোর্টশীপ

কোর্টশিপে যা করবেন না

দীর্ঘদিনের প্রেমপর্বই হোক বা দেখেশুনে অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ – চার হাত এক হওয়ার আগে কোর্টশিপের এই সময়টা সকলের জন্যই বিশেষ গুরুত্বের। যে মানুষটার সঙ্গে সারাজীবন থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে চলেছেন তাঁকে একবার পরখ করে নেবেন না!

অবশ্য লাভ ম্যারেজের ক্ষেত্রে সঙ্গীকে চেনার প্রক্রিয়াটা অনেকদিনের। রোজই তাঁকে একটু একটু করে নতুন করে আবিষ্কার করার সময়-সুযোগও বেশি। দেখেশুনে বিয়ের ক্ষেত্রে কিন্তু এতটাও বিলাসিতার জায়গা থাকে না। বরং, সম্পূর্ণ অচেনা-অজানা একজনের সঙ্গে একছাদের তলায় দীর্ঘজীবন কাটানোর আগে কম্প্যাটিবিলিটি মিলিয়ে দেখে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে বই কী! তবে কোর্টশিপে দু’টো মানুষ কীভাবে নিজেদের মতো করে সময় কাটাবেন, সেটা একান্তই তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে কোর্টশিপের সময়টায় কী কী করবেন না, সেদিকেও একটু খেয়াল রাখা জরুরি।

  • যদিও আপনি আপনার বাগদত্তার সঙ্গে নিরিবিলিতে যতটা সম্ভব বেশি সময় কাটাতে চাইবেন, কিন্তু কখনওই যেন তিনি হাঁফিয়ে না ওঠেন। সম্পর্কের প্রাথমিক শর্তই হল একে অপরকে স্পেস দেওয়া। আপনার নানা প্রশ্নের উত্তর তিনি দেবেন অবশ্যই, কিন্তু প্রথমেই নানা অবাঞ্ছিত প্রশ্ন করে ফেললে দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে, উলটোদিকের মানুষটি নিজের ভবিষ্যত সম্পর্কে আন্দাজ করে ফেলতে পারবেন! আর সেই ভবিষ্যত মোটেও সুখকর হবে না!
     
  • সঙ্গীর ব্যাপারে পাহাড়প্রমাণ প্রত্যাশা রাখবেন না। আবার আপনিও নিজে থেকে এমন কোনও কথা দিয়ে বসবেন না যা পরে পূরণ করতে না পারেন। শুধু সাময়িকভাবে ভাল থাকার জন্য এমন কোনও কমিটমেন্ট করবেন না যা মিথ্যে। সত্যি কথা বলুন। এর মাধ্যমেই পারস্পরিক বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন।
     
  • কোর্টশিপের সময়ে অযথা নিজের অতীত নিয়ে ঘাঁটবেন না। সঙ্গীর অতীত সম্পর্ক নিয়েও বেশি জলঘোলা করার প্রয়োজন নেই। তার মানে এই নয় যে একে অপরের কাছে অতীত সম্পর্ক লুকোবেন। এতে পরে আরও জটিলতা হতে পারে। কিন্তু একে অপরের প্রতি এই বিশ্বাসটা থাকা প্রয়োজন যে অতীতের কোনও রেশ আপনাদের বর্তমান সম্পর্কে পড়বে না। সংবেদনশীল মানসিকতা নিয়ে এগোন। উলটোদিকের মানুষটার কথাও শুনুন। শুধু নিজেই একতরফা বলে যাবেন না।
     
  • শর্তসাপেক্ষে সম্পর্কে রাজি হবেন না। বিয়ের পর চাকরি ছাড়তে হবে বা সঙ্গীর পছন্দসই জীবনযাপন করতে হবে—এরকম শর্ত মেনে নিলে বিয়ের পর সমস্যা হতে পারে। এগুলো সঙ্গীর ডমিনেন্ট মানসিকতার পরিচায়ক। আজ কেরিয়ার নিয়ে কোনও শর্ত চাপিয়ে দিলে আগামী দিনে উনি আপনার ব্যক্তিগত জীবন, পছন্দ-অপছন্দও নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন।
     
  • ভান করবেন না। ধরুন, আপনার স্কাইডাইভিং পছন্দ নয়। আপনি তা খোলাখুলি জানিয়ে দিন। আপনি রান্না করতে না জানলেও লুকোনোর কিছু নেই। নিজের স্বকীয়তাকে লুকিয়ে রাখবেন না। সুত্রঃ সানন্দা

Published by

Best Marriage Media Bangladesh

Best Marriage Media in Bangladesh | Bibahabd is the Leading Bangladeshi Matrimony website, Provides online and offline matchmaking service for marital relationship.