উপযুক্ত সঙ্গী বাছাই করুন ভেবে চিন্তে আবেগে নয়!

ভালো খারাপ সব মিলিয়েই মানুষ। তবে সঙ্গী নির্বাচনে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। এসব গুণ সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। কখন কাকে ভালো লাগবে বা কার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠবে তা আগে থেকে বলা যায় না। তবে কাউকে ভালোলাগলেই তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার আগে বরং কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত সেগুলো এখানে জানানো হল।

মানসিক পরিপক্কতা: ‘নো ওয়ান ইজ পারফেক্ট’। একদম নিখুঁত মানুষ খুঁজতে গিয়ে আপনি নিজেই হতাশ হয়ে পড়বেন। তাই নিখুঁত মানুষ না খুঁজে নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং তা সাদরে গ্রহণ করতে পারে এমন মানসিক পরিপক্কতা সম্পন্ন সঙ্গী খুঁজে বের করুন। যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে এবং সম্পর্ককে মানসিকভাবে গুরুত্ব দিতে পিছপা হয় না। এমন মানুষই উপযুক্ত সঙ্গী।

সততা: সত্য কথা অনেক সময় কষ্ট দিতে পারে। সম্পর্কে সৎ থাকাটা খুব জরুরি। যখন তখন মিথ্যা বলে এমন মানুষের চেয়ে যে আপনার সঙ্গে সবসময় সত্য কথা বলে এমন মানুষকেই সঙ্গী হিসেবে নির্বাচন করা ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে সৎ নয় এবং যাদের বন্ধন দুর্বল তারা একে অপরের সঙ্গে মিথ্যা বলে।

পছন্দের প্রফেশনের যোগ্য জীবনসঙ্গী খুঁজতে

ভিজিট করুন বিবাহবিডি ডট কম আমাদের সার্ভিস সম্পর্কে জানতে ও ফ্রী রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে আসুন

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৯২২ ১১ ৫৫৫৫  এ কল করুন

সংবেদনশীল: যার সঙ্গে জীবনের অনেকটা সময় কাটাতে চান তাকে অবশ্যই আপনার প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে। আপনার প্রয়োজন, অনুভূতি সব কিছুর প্রতিই সংবেদনশীল হতে হবে। আপনার প্রতি মনোযোগ নেই এমন মানুষের সঙ্গে বাকিটা জীবন কাটানোর চিন্তা করবেন না। সম্পর্ক উন্নয়নে পুরুষের ক্ষেত্রে এটা দুর্লভ এবং অসাধারণ একটা গুণ।

অনুরক্ততা: জড়িয়ে ধরা, চুমু খাওয়া সম্পর্ক রক্ষার একটা পথ। এতে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। শারীরিক আকর্ষণ সম্পর্কের জন্য জরুরি। তাই এমন মানুষ খুঁজে বের করুন, যে নির্দ্বিধায় আপনার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারে।

সম্মান করা: সঙ্গীকে সম্মান করা সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে। এমন সঙ্গী নির্বাচন করুন, যে আপনাকে মানুষ হিসেবে এবং মতামত ও কর্মজীবনকে শ্রদ্ধা করে। পাশাপাশি আপনি যেভাবে জীবনযাপন করছেন সেটা নিয়ে যেন নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।